1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
কমছে তিস্তার পানি, বাড়ছে স্বস্তি, ফের বাড়লেই বাড়বে ভোগান্তি | দৈনিক সকালের বাণী
মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন

কমছে তিস্তার পানি, বাড়ছে স্বস্তি, ফের বাড়লেই বাড়বে ভোগান্তি

মহিনুল ইসলাম সুজন, ডিমলা(নীলফমারী)
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
  • ১৩ জন দেখেছেন
তিস্তা নদীর পানি ক্রমান্বয়ে কমতে থাকায় স্বস্তিও বাড়ছে নদী বেষ্টিত এলাকার পরিবার গুলোর মাঝে। তবে তারা স্বস্তির মাঝেও শঙ্কা জানিয়ে বলছেন, যে কোনো মুহুর্তে পানি বাড়ার সাথে সাথেই ভোগান্তিও বেড়ে যাবে।

সোমবার(২৯ জুন)দিবাগত রাত ১০টায় নীলফামারীর ডিমলা ও লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার মাঝামাঝি দেশের সর্ববৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ২৬ সেন্টিমিটার (৫১ দশমিক ৮৯)নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এখানে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার।এই পযেন্টে একি দিনের সকাল ৯ টায় ২, সকাল ১১ টায় ১১, দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৩ টায় ১৭,রাত ৯ টায় ২২, রাত ১০টায় ২৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।গত রবিবার সন্ধ্যা ৬টায় ৭, রাত ৮ টায় ১২,রাত ৯ টায় ১০,রাত ১০ টায় ৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছিলো। ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।পাশাপাশি কিছু নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করলেও তা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সূত্র মতে, গত ২৩ জুন বিকেলে ৩টায় তিস্তা নদীতে পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার(৫২ দশমিক ১৬) ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৬টায় তিস্তা নদীর পানি রেকর্ড করা হয় ৫১ দশমিক ৮৬ সেন্টিমিটার, যা বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। রাতে কিছুটা পানি বৃদ্ধি পেয়ে রবিবার(২৮ জুন) ভোর ৬টায় ৫১.৯৫, সকাল ৯ টায় ৫১.৯৭ ও দুপুর ১২টায় ৫১.৯৮ সন্ধ্যায় ৫২.২২ রাত ৮টায় ৫২.২৭.রাত নয়টায় ৫২.২৫ রাত ১০টায় ৫২.২৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।যা সোমবার দিবাগত রাত ১০টায় কমে বিপৎসীমার ২৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

খগাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের দোহল পাড়া গ্রামের আব্দুল লতিফ বলেন,নদীর পানি বেড়ে গত রাতে নদীর পাশের ক্ষেত গুলোতে পানি ঢুকে আইলসহ তলিয়ে গিয়েছিলো।নদীর পানি কমে যাওয়ার সাথে সাথে ক্ষেতের পানিও কমে গেছে।তবে আবারও নদীর পানি বাড়লে ভোগান্তিও বেড়ে যাবে।

পুর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান হাফিজুল ইসলাম বলেন,পানি কমে যাওয়ায় এই ইউনিয়নের কোনো পরিবার এখন আর পানিবন্দি নেই।তবে পাঁচ নম্বর ওয়ার্ডের গুচ্ছ গ্রামে কিছুটা ভাঙন দেখা দিয়েছে।হুমকিতে পড়েছে গ্রামটি।দ্রুত কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না দিলে সেখানে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিতে পারে।সে ব্যাপারে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আমরা পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার(ইউএনও)স্যারের সুপারিশসহ দরখাস্ত দিয়েছি।

টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম শাহিন বলেন,পানি কমার সাথে সাথে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।আমার ইউনিয়নে এখন একটি পরিবারও পানিবন্দি নেই।

পানি কমার বিষয়টি নিশ্চিত করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নীলফামারী ডিমলার ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, সোমবার দিবাগত রাত ১০টায়

বিপৎসীমার ২৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।গুচ্ছ গ্রাম হুমকিতে প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি জানান,আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )