1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
সাত বছরেও চালু হয়নি দিনাজপুরের বিরল-রাধিকাপুর ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন

সাত বছরেও চালু হয়নি দিনাজপুরের বিরল-রাধিকাপুর ইমিগ্রেশন চেকপোষ্ট

দিনাজপুর অফিস
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
  • ১৯ জন দেখেছেন

সকল প্রস্তুতি থাকা সত্তেও অজানা কারণেই চালু হচ্ছে না দিনাজপুর জেলার দ্বিতীয় স্থল বন্দর বিরল উপজেলার রাধিকা পুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট। করোনা মহামারীর ধাক্কা কেটে গেছে অনেক আগেই। দীর্ঘ দুই বছর পর আবারো সচল হয়েছে ভারতের সকল ভিসা। তবে দীর্ঘ সাত বছরেও চালু হয়নি দিনাজপুরের বিরল-রাধিকাপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট।

ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন উত্তরের ভ্রমণপিপাসু মানুষ ও ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগীরা। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত যেন খুলে দেওয়া হয় এই স্থলপথটি। তবে কর্তৃপক্ষ বরাবরের মতোই দিচ্ছেন দ্রুত চালুর আশ্বাস। দীর্ঘ সাত বছর ধরে এভাবেই নীরব-নিথর পড়ে আছে দিনাজপুরের বিরল-রাধিকাপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট। ২০২০ সালের ১৩ই মার্চ করোনা মহামারীর শুরুতে এই পথ দিয়ে যাত্রী পারাপার বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

এরপর বিশ্ব পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও, এই চেকপোস্টে আর প্রাণচাঞ্চল্য ফেরেনি। সম্প্রতি ভারতের টুরিস্ট ভিসা পুরোপুরি চালু হয়েছে। তবে ইমিগ্রেশনটি বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন দিনাজপুরসহ উত্তরবঙ্গের লাখ লাখ মানুষ। বিশেষ করে উন্নত চিকিৎসার জন্য যারা নিয়মিত ভারতে যান, তাদের পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি। হিলি, বাংলাবান্ধা বা বুড়িমারী ঘুরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে গিয়ে বাড়ছে খরচ ও শারীরিক কষ্ট।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই রুটটি চালু থাকলে খুব কম সময়ে এবং সাশ্রয়ী খরচে ভারতে যাতায়াত করা সম্ভব। বারবার দাবি জানানোর পরও বন্দরটি চালুর কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। আমাদের এখান থেকে ভারত একদম কাছে। অথচ এই ইমিগ্রেশন বন্ধ থাকায় আমাদের ঘুরে হিলি বা চিলহাটি দিয়ে যেতে হয়। রোগী নিয়ে এতো দূর ঘুরে যাওয়া অনেক কষ্টের। আমরা দ্রুত এটা চালু চাই। সাত বছর ধরে এই চেকপোস্ট বন্ধ। ভারতের সব ভিসা চালু হলো, অথচ আমাদের এই বিরল ইমিগ্রেশন কেন চালু হচ্ছে না, তা আমরা বুঝি না। এটা চালু হলে এলাকার ব্যবসা-বাণিজ্যেরও উন্নতি হতো।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অবশ্য জানিয়েছেন, ইমিগ্রেশনটি দ্রুত সচল করতে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলছে। তবে আশ্বাস নয়, উত্তরের মানুষের এখন একমাত্র দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন। এই রুট দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ জন যাত্রী যাতায়াত করতেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )