


পেরেইরা শহরের মেয়র মাউরিসিও সালাজার জানিয়েছেন, ভূমিকম্পে অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন এবং ধসে পড়া ভবনের ভেতরে আরও কয়েকজন আটকা পড়েছেন। পরে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা অন্তত ২০ জনে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার পৌর এলাকার কাছে। এলাকাটি কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতা থেকে প্রায় ২৫০ মাইল বা ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে। ইউএসজিএস-এর তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির গভীরতা ছিল প্রায় ৬৬ মাইল বা ১০৭ কিলোমিটার।
গভর্নর বলেন, ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র সান হোসে দেল পালমারের কাছে হলেও কিবদোতে ভবনের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন শুরু করেছে এবং প্রাথমিক একটি আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
ভূমিকম্পের কম্পন শুধু চোকো অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ ছিল না। রাজধানী বোগোতাতেও শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়। এমনকি কলম্বিয়ার বাইরে ইকুয়েডর ও ভেনেজুয়েলা পর্যন্ত ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।
চোকো গভর্নর নুবিয়া কর্দোবা আগেই জানিয়েছিলেন, সম্ভাব্য আফটারশক নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের পাশাপাশি অন্যান্য স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়েও স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকতে হচ্ছে।
এই ভূমিকম্পের আগে জুনের শেষ দিকে লাতিন আমেরিকার আরেক দেশ ভেনেজুয়েলায় পরপর ৭ দশমিক ২ ও ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। ওই দুটি ভূমিকম্পে শত শত ভবন ধ্বংস ও ৫ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর কথা আগের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল।