
পুষ্টির চাহিদা পূরণ, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ সহ উপস্থিতি বাড়াতে যাদুকরী ভূমিকা রাখছে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি।
এমন কর্মসূচীর কারণেই শিক্ষার্থীরা মনোযোগী হয়ে পাঠ গ্রহণ করছে অপরদিকে শিক্ষকগণ তাদের আগ্রহ দেখে পাঠদানে আনন্দবোধ করছে।
সরেজমিন রবিবার নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার জলঢাকা পৌর শহরের মেধাকুঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মোবারক হোসেন অনির্বাণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়,বিভিন্ন শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা মনোযোগ সহ কারো বাংলা, কারো অংক, কারোবা ইংরেজি ক্লাস চলছে।
মেধাকুঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মুক্তা মনিরা পারভিন জানান, প্রথম শ্রেণীর ইংরেজি ক্লাস নিচ্ছি। শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৮ জন। আজ ১৮ জন উপস্থিত আছে। আমাদের স্কুলে মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ১২২ জন। ওই বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৌমিক রায়, সুপ্রভা রানী পুজা ও মেধা আক্তারের সাথে কথা হলে তারা জানান, অনেকেই খেয়ে, না খেয়ে স্কুলে আসে। ক্ষুধার কারণে অনেকে পড়া লেখায় মন বসাতে পারতো না। এমনকি উপস্থিতিও কম ছিল। এখন পাউরুটি-বিস্কুট, দুধ-কলার জন্য সবাই সময়ের আগে স্কুলে আসে।
অভিভাবক সফিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান ও জহুরুল ইসলাম জানান, আগে তো স্কুলে যেতে সন্তানদের অনীহা ছিল। এখন তাদের স্কুলে যেতে বলতে হয়না। সময় হবার আগেই তারা স্কুলে চলে যায়। কারণ সরকার তাদের খাবারের ব্যবস্থা করেছে।
এ বিষয়ে মেধাকুঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাবিরা ইয়াছমিন চৌধুরী বলেন, স্কুল ফিডিং কর্মসূচীর কারণে আমার স্কুলের মতো সব স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেড়েছে। এমন ধারা অব্যাহত থাকলে প্রাথমিক পর্যায়ে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া ভাষাটি ভবিষ্যতে বিলীন হয়ে যাবে।
Related