এখন তার সামনে শুধুই গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা (৫৪ গোল) এবং শীর্ষে থাকা লিওনেল মেসি (১২৫ গোল)।প্রথম গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও বিপদে পড়েন বুরকিনা ফাসোর ২২ বছর বয়সী ডিফেন্ডার দিয়ালো। ম্যাচের অষ্টম মিনিটে বল ক্লিয়ার করার চেষ্টা করতে গিয়ে ভুলবশত নিজ জালেই বল ঢুকিয়ে দিয়ে আত্মঘাতী গোল করেন তিনি। ফলে ম্যাচের প্রথম আট মিনিটের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে না পেরে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে সফরকারীরা।ম্যাচের ১৫ মিনিট পার হওয়ার আগেই আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে গোলের খাতা খোলেন জিয়ানলুকা প্রেস্তিয়ানি। ম্যাচের ১২তম মিনিটে ডি-বক্সে ঢুকে প্রতিপক্ষের রক্ষণে কোনো সুযোগ না দিয়ে দারুণ এক জোরালো শটে বল জালে জড়ান তিনি। এটিই জাতীয় দলের হয়ে প্রেস্তিয়ানির প্রথম গোল।
কয়েক দিন আগে বলিভিয়ার বিপক্ষে যেভাবে খালি জায়গা খুঁজে নিয়ে গোল করেছিলেন, ঠিক সেভাবেই চমৎকার ফিনিশিংয়ে দলের হয়ে চতুর্থ গোলটি করেন নিকো পাজ। আর প্রথমার্ধেই দলের পঞ্চম গোলটি আদায় করেন হুলিয়ান আলভারেজ। ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে সেই অবিশ্বাস্য গোলের পর এটি ছিল জাতীয় দলে তার আরেকটি দৃষ্টিনন্দন গোল।বিরতির পর দ্বিতীয় অর্ধে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুওনো। ওয়ান-অন-ওয়ান সুযোগ কাজে লাগিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে নিজের প্রথম আন্তর্জাতিক গোলটি নিশ্চিত করেন এই তরুণ তারকা। এরপর ইনজুরি টাইমের তৃতীয় মিনিটে বুরকিনা ফাসোর কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়ে ৭-০ গোলের জয় পূর্ণ করেন জিউলিয়ানো সিমিওনে