1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ফুলবাড়ীতে বেগুনের ফলনে চাষিদের মুখে হাসি | দৈনিক সকালের বাণী
রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১১:৩৫ অপরাহ্ন

ফুলবাড়ীতে বেগুনের ফলনে চাষিদের মুখে হাসি

ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ২১০ জন দেখেছেন
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বেগুনের বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় চাষিরা খুশির জোয়ারে ভাসছেন।
উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কুরুষাফেরুষা এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকা গিয়ে দেখা গেছে, চলতি মৌসুমে বেগুনের বাম্পার ফলন ও বেগুনের ভালো দাম পেয়ে বেগুন চাষিদের মুখে খুশির জোয়ার বইছে। বেগুন চাষিরা গত বছরের চেয়ে এ বছর ভাল দাম পাওয়ায় নেই কোন দুশ্চিন্তা।
তারা মনের আনন্দে প্রতিদিন সকাল সকাল ক্ষেতের বেগুন বিক্রি করাসহ বেগুন ক্ষেত পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত। এভাবে বেগুন চাষে কৃষকরা লাভবান হলে চাষিদের বেগুন চাষে আগ্রহ বাড়বে বলে মনে কৃষকরা। যে সকল চাষির নিজস্ব জমি নেই তারাও অন্যের জমি লিজ নিয়ে বেগুনসহ বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষ কারে স্বচ্ছল ভাবে পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করছে। অঞ্চলের কৃষকরা অধিক লাভের আশায় প্রতি বছরে আগাম বেগুন চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। শুধু বেগুন চাষ নয় পাশাপাশি সারা মৌসুমে বিভিন্ন ধরণের সবজির আগাম চাষ করে বদলে দিয়েছে নিজের ভাগ্যের চাকা। এ সব চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন এ অঞ্চলের শত শত কৃষক পরিবার।
এদিকে চাষিদের বিক্রি ভোগান্তি ছাড়াই বেগুন খেতেই বিভিন্ন এলাকার পাইকারদের কাছ থেকে চাষিরা বিভিন্ন দরে বেগুন বিক্রি করছেন। এরকম বাজার দর থাকলে বেগুন খেতে সব ধরণের খরচ মিটিয়ে বিঘা প্রতি এ বছর আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা আয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বেগুন চাষিরা।
নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কুরুষাফেরুষা এলাকার বর্গা চাষি আমিনুল ইসলাম  জানান, তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে মানুষের জমি বর্গা নিয়ে বেগুনের চাষাবাদ করে আসছে। তিনি এবছরও দুই বিঘা জমি  এক বছরের জন্য ৫০ হাজার টাকায় কন্ট্রাক নিয়ে বেগুনের চাষাবাদ করেছেন। তিনি গত এক থেকে দেড় মাস ধরে বেগুন বিক্রি করছেন। প্রথম দিকে ২ হাজার ৮০০ টাকা মন বেগুন বিক্রি করেন। এরপর তিনি ২ হাজার, ১৮০০, ১৬০০,১৫০০, ১৪০০, ১৩০০, ১২০০, ১০০০ ৯০০, ৮০০, ৭০০ ও বর্তমানে ৫০০ টাকা বেগুন বিক্রি করছেন। তিনি ইতোমধ্যে তিনি ৫ লাখ টাকা থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা বিক্রি করছেন। তিনি আরও দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা বেগুন বিক্রি করা সম্ভব বলে জানান এ চাষি।
একই এলাকার বেগুন চাষি পুলিল চন্দ্র রায়, মনছার আলী, ঈশা মিয়া ইব্রাহিম খন্দকারসহ অনেকেই জানান, এ বছর আবহাওয়া ভাল থাকায় বেগুনের বাম্পার ফলন হয়েছে। তারা জানান প্রতি বিঘায় বেগুন চাষাবাদ করতে খরচ হয় কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। বেগুন ক্ষেতে রোগ মুক্ত ও আবহাওয়া অনুকূলসহ বেগুনের ভাল দাম পাওয়ায় তারা প্রত্যেকেই দেড় থেকে ২ লাখ টাকা বেগুন বিক্রি করছেন এবং তারা বেগুন চাষাবাদে ব্যাপক লাভবান। তাদের মতো উপজেলার শতশত বেগুন চাষি লাখ লাখ টাকা বেগুন বিক্রি করতে পেয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. নিলুফা ইয়াছমিন জানান, চাষিদের বেগুন চাষে উদ্বুদ্ধ করা ও বিভিন্ন সহযোগিতা দেওয়ায় এ অঞ্চলের চাষিরা বেগুন চাষে ঝুঁকছেন। এ অঞ্চলের মাটি বেগুন চাষের উপযোগী হওয়ায় চলতি খরিপ-২ ও রবি মৌসুমে ৮৫ হেক্টর জমিতে বেগুন চাষ করেছে। এ বছরের এ বছর বেগুন চাষিরা দ্বিগুণ লাভবান হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )