এদিকে চাষিদের বিক্রি ভোগান্তি ছাড়াই বেগুন খেতেই বিভিন্ন এলাকার পাইকারদের কাছ থেকে চাষিরা বিভিন্ন দরে বেগুন বিক্রি করছেন। এরকম বাজার দর থাকলে বেগুন খেতে সব ধরণের খরচ মিটিয়ে বিঘা প্রতি এ বছর আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা আয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন বেগুন চাষিরা।
নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কুরুষাফেরুষা এলাকার বর্গা চাষি আমিনুল ইসলাম জানান, তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে মানুষের জমি বর্গা নিয়ে বেগুনের চাষাবাদ করে আসছে। তিনি এবছরও দুই বিঘা জমি এক বছরের জন্য ৫০ হাজার টাকায় কন্ট্রাক নিয়ে বেগুনের চাষাবাদ করেছেন। তিনি গত এক থেকে দেড় মাস ধরে বেগুন বিক্রি করছেন। প্রথম দিকে ২ হাজার ৮০০ টাকা মন বেগুন বিক্রি করেন। এরপর তিনি ২ হাজার, ১৮০০, ১৬০০,১৫০০, ১৪০০, ১৩০০, ১২০০, ১০০০ ৯০০, ৮০০, ৭০০ ও বর্তমানে ৫০০ টাকা বেগুন বিক্রি করছেন। তিনি ইতোমধ্যে তিনি ৫ লাখ টাকা থেকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা বিক্রি করছেন। তিনি আরও দুই থেকে আড়াই লাখ টাকা বেগুন বিক্রি করা সম্ভব বলে জানান এ চাষি।
একই এলাকার বেগুন চাষি পুলিল চন্দ্র রায়, মনছার আলী, ঈশা মিয়া ইব্রাহিম খন্দকারসহ অনেকেই জানান, এ বছর আবহাওয়া ভাল থাকায় বেগুনের বাম্পার ফলন হয়েছে। তারা জানান প্রতি বিঘায় বেগুন চাষাবাদ করতে খরচ হয় কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। বেগুন ক্ষেতে রোগ মুক্ত ও আবহাওয়া অনুকূলসহ বেগুনের ভাল দাম পাওয়ায় তারা প্রত্যেকেই দেড় থেকে ২ লাখ টাকা বেগুন বিক্রি করছেন এবং তারা বেগুন চাষাবাদে ব্যাপক লাভবান। তাদের মতো উপজেলার শতশত বেগুন চাষি লাখ লাখ টাকা বেগুন বিক্রি করতে পেয়ে খুশির জোয়ারে ভাসছেন।