1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
অযত্ন আর অবহেলায় বিলুপ্তপ্রায় খানসামার জয়শঙ্কর জমিদার বাড়ি | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৪:১১ অপরাহ্ন

অযত্ন আর অবহেলায় বিলুপ্তপ্রায় খানসামার জয়শঙ্কর জমিদার বাড়ি

জসিম উদ্দিন,খানসামা (দিনাজপুর)
  • আপলোডের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩৩৩ জন দেখেছেন
দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা থেকে ৯ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে আত্রাই নদীর তীরে আলোকঝাড়ি ইউনিয়নের জয়গঞ্জ গ্রামের অতীত ঐতিহ্যের জয়শঙ্কর জমিদার বাড়িটিি অযত্ন ও অবহেলায়  এখন বিলুপ্তির পথে। অযত্নে থাকা জয়শঙ্কর রায় চৌধুরীর জমিদার বাড়িটি এখন ভগ্নদশায় পরিণত হয়েছে।

নষ্টের পাশাপাশি ইতোমধ্যেই চুরি হয়ে গেছে অনেক কিছু। বর্তমানে পূর্ব-পশ্চিমে লম্বা একতলা বাড়িটিতে তিনটি বারান্দা, একটি বসার ঘর, একটি থাকার ঘর, সম্পদ রাখার একটি ঘর এবং একটি মন্দির কক্ষ রয়েছে। বাড়িটির তিনটি বারান্দায় ৩০টি পিলার এবং পূর্ব থেকে প্রথম ঘরটিতে নয়টি দরজা এবং সভার কাজ পরিচালনায় ব্যবহৃত ঘরটিতে ১০টি দরজা রয়েছে।

জমিদার বাড়ির পূর্বে কয়েক গজ দূরে রয়েছে একটি ইঁদারা বা কুয়া। ওই কুয়ার পানি তৎকালে জমিদার বাড়ির কাজে-কর্মে ব্যবহার হতো। এখন ওই কুয়াটি অকেজো অবস্থায় রয়েছে। সংস্কারের অভাবে বাড়িটির দেয়ালের অংশ ৩০-৪০ ভাগ প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে। পড়ে থাকা ঝোপ-জঙ্গলের মাঝে পুরোনো ঐতিহ্যকে ধারণ করে দাঁড়িয়ে রয়েছে এই জয়গঞ্জ জমিদার বাড়ি। আর অতীতের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে জমিদার আমলের সেই বটগাছটিও।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন অযত্নে পড়ে থাকা বাড়িটির চারপাশের ঘন জঙ্গল পরিষ্কার করে উপজেলা প্রশাসন ৫০টি পরিবারের জন্য একটি গুচ্ছগ্রাম নির্মাণ করে করে দিয়েছেন। ওই বাড়ির প্রবেশদ্বারে যে লোহার গেটটি রয়েছে, তা এখন খানসামা থানার প্রবেশপথ হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। জমিদারি থাকাকালে স্থাপিত জয়গঞ্জ বাজারটিও গত প্রায় ২০ বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। শুধু দাঁড়িয়ে আছে জমিদার আমলের সেই বটগাছটি।

স্থানীয়রা জানান, এই জমিদার বাড়িটি সংস্কার করলে আবারও নতুনরূপে ঐতিহ্য ফিরে পেতে পারে পুরাকীর্তির জমিদার বাড়িটি। গড়ে উঠতে পারে পর্যটকদের জন্য নতুন অবকাশ কেন্দ্র। এখনো দূর-দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ ইতিহাসখ্যাত জয়গঞ্জ জমিদার বাড়িটি দেখার জন্য আসেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )