


প্রথম শ্রেণীর ইটের বদলে নিম্ন মানের ইট দিয়ে এইচবিবি রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছিল। বিষয়টি স্থানীয়রা বাধা দিলেও নির্মাণকারী ইউপি সদস্য কোন কথায় শুনছিল না। পরে বিষয়টি এ প্রতিবেদককে স্থানীয়রা জানালে গত বুধবার বিকেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রতিবেদক ঘটনার সত্যতা পায় তাৎক্ষণিক বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানালে তিনি দ্রুত অ্যাকশন নিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ইটগুলো অপসারণের ব্যবস্থা করেন। ঘটনাটি ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলার।
রাণীশংকৈল উপজেলার নন্দুয়ার ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সন্ধারই সাতঘরিয়া গ্রামে ইউপি সদস্য বাদশাহ আলমের বাসা সংলগ্ন সাতঘরিয়া পুরাতন জামে মসজিদ থেকে শহিদুলের বাড়ী প্রযর্ন্ত কাবিটা বরাদ্দের ৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকায় প্রায় ৩৪১ ফিট রাস্তায় এইচবিবি করণের কাজ চলছিলো।
গত বুধবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নিম্ন মানের ইট দিয়ে রাস্তাটি প্রায় নির্মাণ কাজ শেষ করে ফেলা হয়েছে। তবে নিম্ন মানের ইট দিয়ে রাস্তা নির্মাণের বিষয়টি ইউপি সদস্য বাদশাহ আলমকে জানালে সে বিষয়টি এড়িয়ে যায়।
পরে রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাফিউল মাজলুবিনকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানালে তিনি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল মাবুদকে পরিদর্শনে পাঠিয়ে এইচবিবিতে নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে রাস্তা থেকে ইটগুলো দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দেয়। সে নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ট্রলিতে করে নির্মাণ শেষ হওয়া রাস্তা থেকে ইটগুলো অপসারণ করা হচ্ছে।
ইউএনও’র এমন দ্রুত অ্যাকশনকে সাধুবাদ জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা তৈহিদুল ইসলাম, রুবেল, আনসারুলসহ অনেকে বলেন,ইউএনও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় সরকারের টাকা এখন সঠিকভাবে খরচ হবে। পাশাপাশি ভালো একটি রাস্তাও পাওয়া যাবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল মাবুদ বলেন, প্রকল্প তার নিয়মানুযায়ী বুঝে নেওয়া হবে। আপনার কাছ থেকে ইউএনও জানার পর আমাকে জানালে ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা পেলে ইউএনওকে জানায় ইউএনও দ্রুত নিম্ন মানের ইট অপসারণের নির্দেশ দেন। সে নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ইট অপসারণ হচ্ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাফিউল মাজলুবিন রহমান এ প্রতিবেদককে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন,সব প্রকল্পগুলো সরেজমিনে যাচাই করেই বিল দেওয়া হচ্ছে। নিয়মানুযায়ী কাজ আদায় করে নেওয়া হবেও বলে তিনি জানান।