1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
সৈয়দপুর হাসপাতালে আউটসোর্সিং কর্মচারীর বেতন আত্মসাতের অভিযোগ | দৈনিক সকালের বাণী
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪০ অপরাহ্ন

সৈয়দপুর হাসপাতালে আউটসোর্সিং কর্মচারীর বেতন আত্মসাতের অভিযোগ

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ১১ জুলাই, ২০২৫
  • ৩১২ জন দেখেছেন

নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া আট কর্মচারীর বেতনের ১১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। নিয়োগদানকারী ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কর্মচারীদের গত ১০ মাসের বেতন না দিয়ে গাঢাকা দিয়েছেন। ফলে শুভ রায়, আবু বক্কর সিদ্দিক, মশিউর রহমান, মোছা. শাকিলা, মো. রায়হান, বাবু, দিপু ইসলাম ও লিটন ইসলাম নামের আট কর্মচারী বেতন না পেয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ইতিমধ্যে ভুক্তভোগী মো. জুয়েল ইসলাম নামের একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছেন বলে জানা গেছে।
এ নিয়ে ওই ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ঠিকাদার ওবাইদুল ইসলামসহ তিনজনের নামে সৈয়দপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত অন্য দুইজন হলেন, ওই হাসপাতালের আবসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হুদা ও হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. আরশাদ হোসেন। এদিকে, এসব কর্মচারী নিয়োগে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগপত্র ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চতুর্থ শ্রেণির জনবল সংকটের কারণে ২০২২-২৩ অর্থবছরে আউট সোর্সিং পদ্ধতিতে নিয়োগ দিতে দরপত্র আহ্বান করা হয়। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী কাজ পায় পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জের ওবাইদুল ইসলামের মালিকানাধীন আল-আরাফাত সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। শর্ত ছিল বেতন হিসেবে প্রত্যেক কর্মচারীকে মাসে ১৬ হাজার ১৩০ টাকা পরিশোধ করা হবে। সেই হিসেবে এক লাখ ৯৩ হাজার ৫৬০ টাকা পরিশোধ করার কথা থাকলেও মাত্র ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। প্রত্যেকের এক লাখ ৪৩ হাজার ৫৬০ টাকা টাকা পাওনা রয়েছে।
ভুক্তভোগী জুয়েল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত সময় কাজ করলেও আমাদের ১০ মাসের মাসের বেতন তাদের দেওয়া হচ্ছে না। ঠিকাদার উল্লিখিত পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করে লাপাত্তা রয়েছেন। বেতন না পেয়ে আমরা মানবেতর জীবন-যাপন করছি। তিনি আরও বলেন, এর আগে নতুন করে নিয়োগ পেতে ৮০ হাজার টাকা দাবি করেন ঠিকাদার। কিন্তু সেই টাকা না দেওয়ায় আমাদের আট জন দক্ষ কর্মীকে বাদ দিয়ে টাকা নিয়ে নতুনদের নিয়োগ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন।
ভুক্তভোগী শুভ রায় ও আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ঠিকাদার তাঁদের কাছ এক লাখ টাকা করে ঘুষ নিয়েছেন। এখন ১০ মাসের বেতন দিচ্ছেন না।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার ওবাইদুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। ফলে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ডা. মো. নাজমুল হুদা বলেন, হাসপাতালে আউট সোর্সিংয়ের কর্মচারীদের চাকরির মেয়াদ গত ৩০ জুন শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে কোন আউটসোর্সিংয়ের কর্মচারী নেই। আর বেতনের টাকা তারা পেয়েছেন কী না, তা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেখার দায়িত্ব নয়। এটি সম্পূর্ণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায় দায়িত্ব বলে জানান তিনি।
সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফইম উদ্দিন জানান, অভিযোগের বিষয়টি তিনি তদন্ত করে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )