1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
বিএনপির উজ্জ্বল নক্ষত্র সাঘাটা-ফুলছড়ির নয়ন | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৩ পূর্বাহ্ন

বিএনপির উজ্জ্বল নক্ষত্র সাঘাটা-ফুলছড়ির নয়ন

ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৯২ জন দেখেছেন
নদীর কূলে ঘেষে উঠা দুটি উপজেলা সাঘাটা-ফুলছড়ি নিয়ে গঠিত গাইবান্ধা ০৫ সংসদীয় আসন। এই জনপদের মানুষের অনুন্নত জীবন-যাপন, নূন্যতম বাজেট-বরাদ্দ এবং প্রায় সকল সরকারি কার্যক্রমে পিছিয়ে পড়া নদী বেষ্টিত অবহেলিত জনপদের বসবাস এই অঞ্চলে।
গাইবান্ধা জেলার প্রধান প্রধান নদ-নদীগুলো প্রবাহিত হয়েছে দুই উপজেলার মধ্যে দিয়েই। আর এসব নদ-নদীই যেন এই অঞ্চলের মানুষের মরার উপর খড়াঁর ঘাঁ’র মতো। দারিদ্র্যতার সাথে লড়াই করে এই জনপদের শিশু-কিশোর ও যুবকরা বেড়ে উঠে আপন মহিমায়। অবহেলিত এই জনপদের ভাগ্য উন্নয়নে সরকার এবং রাজনৈতিক ব্যক্তির আনা-গোনা খুবই নগণ্য ।
তবে এবার এই অবহেলিত অঞ্চলের ভাগ্য উন্নয়নে নজর দিয়েছেন বিএনপি নেতা নাজেমুল ইসলাম প্রধান নয়ন। তিনি সাঘাটা-ফুলছড়ির অর্থনীতির চাকাকে সচল করতে চান এবং অবহেলিত এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন৷ সেইসাথে নাজেমুল ইসলাম প্রধান নয়ন সাঘাটা-ফুলছড়ি বিএনপির সংগঠনকে শক্তিশালী করতে দীর্ঘদিন ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
দীর্ঘ ৩ যুগ ধরে রাজনীতির মাঠ চষে বেড়ানো দুঃসময়ের প্রখ্যাত এই নেতা সাঘাটা থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এবং সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি গাইবান্ধা জেলা বিএনপির উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতা আজ আকাশচুম্বি। এই জনপ্রিয়তা ও তৃণমূলের অকুণ্ঠ ভালোবাসাই তিনি আপন মহিমায় জ্বলে উঠেছেন। দেশ, দল এবং সাধারণ মানুষের জন্য দিন-রাত এক করে কাজ করে যাচ্ছেন।
ফলে গাইবান্ধা জেলার রাজনীতিতে নাজেমুল ইসলাম প্রধান নয়ন হয়ে উঠেছেন একটি সুপরিচিত নাম। তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়েছিল ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে এবং তিনি ধাপে ধাপে জেলার অন্যতম রাজনৈতিক নেতায় পরিণত হন।
নাজেমুল ইসলাম প্রধান নয়ন ১৯৬৮ সালের ১লা ডিসেম্বর গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের চন্দনপাট গ্রামে জন্মগ্রহন করেন৷ তার পিতা মো: আব্দুল্লা প্রধান এবং মাতা মোছা: মোমেনা বেগম। ছোটবেলা থেকেই তিনি কর্মট, সৎ ছিলেন ও রাজনীতির প্রতি তার একটি বিশেষ টান ছিল৷ ওসমানের পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে সাফল্যের সাথে পঞ্চম শ্রেণী পাশ করেন।
এরপর ১৯৮৪ সালে রাজশাহী বোর্ড থেকে এসএসসি এবং ১৯৮৬ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হন৷ পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষার জন্য নিজ জন্মস্থান ত্যাগ করে রাজশাহীতে পাড়ি জমান। ১৯৯০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ অনার্স পাশ করেন। শিক্ষার প্রতি প্রবল আগ্রহ থাকার কারণে তিনি শুধুমাত্র বিএ পাশ করেই থেমে থাকেন নি। ২০০৬ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সেন্ট্রাল ‘ল’ কলেজ থেকে এলএলবি ও ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে এলএলএম পাশ করে শিক্ষাজীবনের ইতি টানেন। বর্তমানে তিনি অ্যাডভোকেট পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।

জানা যায়, তার বাবা একজন প্রখ্যাত বিএনপি নেতা ছিলেন এবং পরিবারের হাত ধরেই নয়ন জেনারেল ইরশাদ সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯৮৮ সালে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হন। তার পরবর্তী সময় থেকে আজ অবদি নিজেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। কিন্তু একাধিক বার মনোনয়ন ক্রয় করার পরও তিনি ধানের শীষের মনোনয়ন পান নি।
এছাড়াও ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি সাঘাটা-ফুলছড়ির মানুষের সেবা করার জন্য মনোনয়ন কিনেছিলেন কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে সেসময় হাসান আলীকে ধানের শীষের মনোনয়ন দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে বিএনপির মনোনয়ন সর্ম্পকিত প্রতিবেদনে তার নাম প্রকাশ করা হলেও তিনি মনোনয়ন পান নি। মনোনয়নে জন্য বার-বার চেষ্টা করেও হোঁচট খেয়েছেন জনবান্ধন এই নেতা। তবে দলের প্রতি তার নিষ্ঠা ও অবদানের মূল্যয়ন হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন দিবে বলে আশাবাদী তিনি।

বর্তমানে নাজেমুল ইসলাম প্রধান নয়ন সমাজ সেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি নিজ তহবিল থেকে স্থানীয় গরীর শিক্ষার্থীদের অর্থ প্রদান, নদীভাঙ্গন কবলিত এলাকার দুস্থ, অসহায় ও অসুস্থ মানুষকে অর্থ সহায়তা ও তাদের পাশে দাড়াচ্ছেন। এছাড়াও সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা, শীতে দুস্থদের কম্বল বিতরণ, মসজিদ-মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ সমাজ পরিবর্তনে তার অশেষ ভূমিকা অব্যাহত রয়েছে।

মনোনয়ন প্রত্যাশি নাজেমুল ইসলাম প্রধান নয়ন বলেন, বিএনপি শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি একটি আদর্শ, একটি স্বপ্ন, একটি আন্দোলনের নাম। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়ে ওঠা এই দলটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। এই দলের জন্য কাজ করার আগ্রহ আমার হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে এসেছে। তাই আমি আশাবাদী যে,  দল আমাকে মনোনয়ন দিবে। আমি মনোনীত হলে নিজের অর্থায়নে প্রয়োজনীয় সমস্ত নির্বাচন ব্যয় বহন করবো। চরের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে চর-উন্নয়ন বোর্ড গঠন করব। সাধারণ মেহনতী মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করব। নদী-ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

এ অবহেলিত জনগোষ্ঠীর অর্থনীতির চাকাকে সচল করতে প্রয়োজনে শিল্প কারখানা গড়ে তুলব। তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবো। বালাশী থেকে বাহাদুরাবাদ পর্যন্ত ট্যানেল নির্মাণ করবো। দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় আমি অবশ্যই জয়লাভ করব এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিকে একটি আসন উপহার দিব।

উল্লেখ্য, ১৯৮৮ সাল থেকে নাজেমুল ইসলাম প্রধান নয়ন আজ অবদি পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির দলীয় সকল প্রোগ্রামে অংশগ্রহনসহ দলকে শক্তিশালী করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। নাজেমুল ইসলাম প্রধান নয়নের রাজনৈতিক জীবন দীর্ঘ ও বৈচিত্রময়। ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে জেলার শীর্ষ পর্যায়ে পৌঁছানো পর্যন্ত তিনি দলের বিভিন্ন গুরুত্বর্পূর্র্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি গাইবান্ধা জেলা বিএনপির উপদেষ্টা হিসেবে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দলকে সংগঠিত করেছেন এবং দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )