1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
বাড়তি খরচে শঙ্কিত চিলমারীর বাদাম চাষিরা  | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন

বাড়তি খরচে শঙ্কিত চিলমারীর বাদাম চাষিরা 

চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭১ জন দেখেছেন
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে প্রান্তিক কৃষকরা আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবর্তনের সঙে যুদ্ধ করে টিকে আছেন। এর ফলে অনেক সময় খরা, অনাবৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, অসময়ে বন্যা দেখা যায় এই অঞ্চলে।
এবার প্রভাব পড়েছে কৃষিতে, আশানুরূপ বৃষ্টি না হওয়ায় বাদাম চাষীরা বিপাকে পড়েছেন। সেই সাথে পানির সংকট কাটাতে আলাদা ভাবে সেচ পদ্ধতির মাধ্যমে পানি দিতে হচ্ছে। এতে গুনতে হচ্ছে বাড়তি খরচ। এছাড়াও অনেক বাদাম গাছে দেখা দিয়ে নানাবিধ রোগ। ফলে কৃষকরা ভালো ফলন নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন। এদিকে সময় মতো পানি ও বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষি বিভাগ।
কৃষি অফিস জানায়, এ বছর প্রায় প্রায় ১ হাজার হেক্টর জমিতে চীনাবাদাম চাষ হয়েছে। কৃষকরা জানান, বাড়তি খরচ পানি বাবদ ৫ হাজার টাকা এক মৌসুমে শুধু সেচ ভাড়া। আর যত বার পানি নেয়া হবে তার জন্য তেলের টাকা খরচ হচ্ছে।
সরেজমিন উপজেলার নয়ারহাট ইউনিয়নে দেখা যায়, বাদামের জমি পরিচর্যা করছেন কৃষকরা। এসময় দেখা যায়, সেচের মাধ্যমে বাদামের জমিতে পানি দিচ্ছেন তারা।
এসময় স্থানীয় কৃষক সুজন মিয়া বলেন, খড়ার কারণে এবার বাদামের ফলন খারাপ। তাছাড়া বৃষ্টি না থাকায় সেলো মেশিন দিন জমিতে পানি দিতে হচ্ছে। এবছর অতিরিক্ত খরচের কারণে খুব একটা লাভ করতে পারবেন না বলে জানান এই কৃষক।
আরেক কৃষক জানান, বন্যা কম হওয়ায় এবার ফলন কম। গতবারের তুলনায় কম, এবার বন্যা না হওয়ায় জমি গুলো তে পানি ওঠে নাই যার ফলে এবার ফলন ভালো হয়নি। এই বছরে বাদাম খুব কম ধরছে। আর বেশি খড়ার কারণে প্রায় দুই দিন পরপর জমিতে পানি দিতে হচ্ছে। কারণ পানি না দিলে পাতা হলুদ হয় এবং গাছ মরে যায়। রোপনের ব্যয় নিয়ে চিন্তিত এই কৃষক।
রহিম নামে অপর এক কৃষক জানান, ৩০ শতক জমিতে বাদাম চাষ করেছেন। ইতিমধ্যে ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। পানির খরচ সহ আরও প্রায় ১০ হাজারের মত ব্যয় হবে বলে জানান তিনি।
উপজেলা কৃষি অফিসার কনক চন্দ্র রায় বলেন, মাটির রস কমে গেলে শেচ দিতে হবে। সেচনালা না থাকলে মা মাটি বেশি লুজ হলে ফিতা পাইপ ব্যবহার করে সেচ প্রদান করা যেতে পারে। কারিগরি দিক থেকে জমির রসের বিষয়টিকে ফিল্ড ক্যাপাসিটি দিয়ে মেজার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, চিনাবাদামের ফুল উপরে দেখা গেলেও সাত দিনের মধ্যে এই ফুল মাটির নিচে ঢুকে যায় এবং সেখান থেকে বাদাম হয় এই বিষয়টিকে পেগিং বলা হয়। এই সময় মাটি শক্ত হলে বা ফুল নিচের দিকে বাক নেওয়ার পর সহজে মাটি না পেলে ফল ধারণ কমে যায়।
এ সময় লাঙ্গল টেনে বা অন্য কোন উপায়ে গাছের গোড়ায় মাটি দিতে পারলে ফলন বেড়ে যায়। কিছু কিছু জমিতে টিক্কা রোগ দেখা গেছে। আক্রান্ত গাছের পরিত্যক্ত অংশ পুড়ে ফেলা ও প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম ব্যাভিষ্টিন/নোইন বা ২গ্রাম ডাইথেন এম-৪৫ মিশিয়ে ১২-১৫ দিন পর ২-৩ বার স্প্রে করার পরামর্শ দেন এই কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )