1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
রাজারহাটে উপজেলা প্রশাসনের সহায়তা প্রদান | দৈনিক সকালের বাণী
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন

রাজারহাটে উপজেলা প্রশাসনের সহায়তা প্রদান

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি 
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৬৮ জন দেখেছেন

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে শারীরিক বুদ্ধি সহোদর প্রতিবন্ধীকে সহযোগীতা করলো রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল ইমরান। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা ইউনিয়নের গতিয়াসাম নামাভরাট গ্রামের আব্দুস সালামের শারীরিক প্রতিবন্ধী দুই ছেলে লিটন মিয়া (২৩) ও রাকিব মিয়া (২১) কে দেখতে ও তাদের খোঁজ খবর নিতে এলাকায় যান। এসময় তিনি প্রতিবন্ধী নিরীহ দুই ছেলেকে দেখে পরিবারের খোঁজ-খবর নেন।

তিনি অসহায় প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে চাল, ডাল, লবন, তেল, চিনি, মরিচ, মশলা ও কম্বল বিতরণ করেন। উক্ত সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রহমত আলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, প্রেসক্লাব রাজারহাট’র সাধারণ সম্পাদ প্রহলাদ মন্ডল সৈকত ও সাবেক ইউপি সদস্য সহিদুল ইসলামসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এসময় তিনি আরও সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন।

এলাকাবাসীরা জানান, কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা নদীর কোল ঘেষা ঘড়িয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের গতিয়াসাম নামাভরাট গ্রামে দিনমজুর আব্দুস সালামের পরিবারে তিন সন্তানের মধ্যে প্রথম সন্তানটি মেয়ে হলেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় সন্তান শারীরিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী লিটন মিয়া (২৩) ও রাকিব মিয়া (২১) জন্ম হয়।

একদিকে প্রতিবন্ধীদের চাপ ও অন্যদিকে ২০২১সালে সর্বনাশা তিস্তা নদীতে তার বাস্তভিটাসহ আবাদী জমি বিলীন হয়। বাধ্য হয়ে আব্দুর সালাম পাশে থাকা বড় বোনজামাই অহির উদ্দিনের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। সেখানে শারীরিক প্রতিবন্ধী দুই ছেলে ও স্ত্রী আয়শা বেগমকে নিয়ে অসহায় ভাবে দিনাতিপাত করছেন। এব্যপারে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আল ইমরান বলেন-রাজারহাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ রকম অনেক অসহায় পরিবার রয়েছে।

সব পরিবারের খবর নেয়া সম্ভব হয় না। আমি বিষয়টি জানতে পেরে তাদের খোঁজ-খবর নিতে চলে এসেছে। শারীরিক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছেলে দুটো কোথায় কিভাবে থাকে দেখতে মর্মাহত হলাম। তাদের ঘর দরজা কিছু নাই। থাকার মতো স্থানও নাই। কেউ এক শতক জমি দান করে দিলে আমি ঘরের ব্যবস্থা করতে পারতাম।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )