


যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা এবং বিশাল আয়োজনে বিদায় জানাচ্ছে ইরান। এরমাধ্যমে মূলত দেশটি তাদের শক্তি ও সামর্থ্য প্রদর্শন করছে।
তবে এর আড়ালে ইরানি কর্মকর্তারা প্রায় তিন হাজার মানুষের সম্ভাব্য মৃত্যু নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে। জার্মান সংবাদমাধ্যম ওয়েল্ট গতকাল শনিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। তারা বলেছে, রাজধানী তেহরান থেকে নাম গোপন রাখা এক সাংবাদিক একটি চিঠি পাঠিয়েছেন।
তিনি বলেছেন এটি ইরানের রেডক্রস এবং জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার লেখা একটি গোপন চিঠি। যা ফার্স্ট ভাইস-প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তারা ধারণা করছে সাতদিনের এই বিশাল আয়োজনের সময় ১ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে।
এছাড়া অনেকে নিখোঁজও হতে পারেন। সম্ভাব্য মৃত্যু ও নিখোঁজ নিয়ে একটি বিশেষ ইউনিটও গঠন করা হয়েছে বলে চিঠিতে দাবি করা হয়েছে। এরসঙ্গে তেহরানের বেহেস্ত-ই জাহরা কবরস্থানে নতুন করে কয়েক হাজার কবর খোঁড়া হয়েছে।
তেহরান পৌরসভার এক কর্মী বলেছেন, “প্রস্তুত করা কবর সত্যিই আছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছেন, এত বড় আয়োজনে তিন হাজারের বেশি মৃত্যু হলেও ঠিক আছে। তীব্র গরমে এত মানুষ জড়ো হবেন, কেউ জানেন না আসলে কী হবে।” খামেনির মরদেহ তেহরান থেকে নেওয়া হবে কোমে। এরপর সেখান থেকে ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় যাবে কফিন। ইরাক থেকে ফিরিয়ে এনে আগামী ৯ জুলাই তার জন্মস্থান মাশহাদে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।
সূত্র: ওয়েল্ট।