


রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার লক্ষীটারী ইউনিয়নের চর ইশোরকোল (আশ্রয়ণ) আহমাদিয়া নূরুল উলুম হাফিজিয়া মাদ্রাসা এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের মো. সাজেদুল ইসলাম (২৫) নামের এক শিক্ষকের এর বিরুদ্ধে পর্যায়ক্রমে একাধিক শিশুশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (০৫ ডিসেম্বর) ঘটিকায় ওই শিক্ষককে অবরুদ্ধ করায় বিষয়টি সকলের নজরে আসে ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মাদ্রাসার ছাত্রী আকতারা ৮ (ছদ্দনাম) সহ আরও কয়েকজন শিশুশিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে উঠে গত বুধবার। কৌশলে ওই দিনেই তার বাড়িতে যান। পরে শুক্রবার আবারও উপস্থিত হলে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে প্রথমে চর ইশোরকোল আশ্রয়ণ কেন্দ্র এলাকার মাদ্রাসাতেই আটক করে রাখে। পরে জাতীয় সেবায় ৯৯৯ এ কল করে ঘটনাটি পুলিশকে জানানো হয়। গঙ্গাচড়া মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে পুলিশ অভিযুক্তকে হেফাজতে নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশও হাজারো জনতার রোষানলে পরে এবং স্থানীয়রা দাবি জানায় প্রকাশ্যে ধর্ষকের বিচার করতে হবে। এতে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কা দেখা দেয়। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জসহ অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৬ ডিসেম্বর গঙ্গাচড়া মডেল থানায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত লালমনিরহাটের কালীগেঞ্জের মো. হোসেন আহমেদ ছেলে ।
এবিষয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানা ওসি (তদন্ত) আবু হানিফ সরকার বলেন, এবিষয়ে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদি হয়ে থানায় একটি নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছে। শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে সাজেদুলকে হাজতে পাঠানো হয়েছে। বিধি মোতাবেক পরবর্তীতে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।