
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সেতু নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে একটি সেতু প্রকল্প পরিদর্শন করেছেন কুড়িগ্রাম জেলা সমন্বিত দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার(২৮ জানুয়ারী) কুড়িগ্রাম জেলা দুদকের একটি টিম সরেজমিনে প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে নির্মাণকাজের ব্যবহৃত সামগ্রী ও প্রকল্প সংক্রান্ত নথিপত্র যাচাই করে। নির্মাণধীন ওই সেতুটি উপজেলার রমনা মডেল ইউনিয়নের পাত্রখাতা এলাকায় তিস্তা খালের উপর নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
দুদক সূত্র জানায়, সংশ্লিষ্ট সেতু নির্মাণ প্রকল্পে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার, কাজের নকশা এবং ব্যয়ের ক্ষেত্রে অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবেই এই পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
পরিদর্শনকালে দুদকের কর্মকর্তারা সড়ক ও জনপদের একজন নিরপেক্ষ প্রকৌশলী প্রকল্প বাস্তবায়নকারী অফিস এলজিইডির দায়িত্বরত প্রকৌশলী জুলফিকার আলি সহ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার আব্দুল মান্নান কে সাথে নিয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এছাড়াও এর পাশাপাশি কাজের মান ও নির্ধারিত নকশা অনুযায়ী নির্মাণ হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও পর্যবেক্ষণ করা হয়।
সমন্বিত কুড়িগ্রাম জেলা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সাবদারুল ইসলাম বলেন, আমরা নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের একটি টিম আসছিলাম। এই ব্রিজের ব্যবহৃত ব্লগ এপ্রোস রোড হেরিং বন্ডে যেগুলো ইট ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো নিম্নমানের। এখানে সড়ক ও জনপদের একজন নিরপেক্ষ প্রকৌশলী ছিলেন আমরা পুরো ব্রিজটা পরিমাপ করেছি। পরিমাপ করার পরে কিছু ত্রুটি ধরা পড়েছে স্থানীয়দের বক্তব্য নিয়েছি এবং আমাদের নিরপেক্ষ প্রকৌশলী মহোদয় পুরো ব্রিজ পরিমাপ করেছেন এবং রেকর্ড পত্র নিয়ে পর্যালোচনা শেষে আমরা যেটা পেলাম সেটা কমিশন বরাব দাখিল করা হবে। কোন অসঙ্গতি এবং ত্রুটি থাকলে সেটি কমিশনকে অভিহিত করা হবে।
যে সকল ত্রুটিপূর্ণ সামগ্রী ছিল সেগুলার স্যাম্পল সংগ্রহ করা হয়েছে। এগুলো পরিমাপ এবং লেপ টেস্ট করে প্রকৌশলী মহোদয় যে রিপোর্ট দিবেন এই রিপোর্ট অনুযায়ী প্রধান কার্যালয় প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
Related