বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসলে সবার আগে দুর্নীতি করবে, এরফলে দেশের অর্ধেক কাজ হয়ে যাবে।
সোমবার বিকেলে নীলফামারী কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে নীলফামারী-০২ আসনে(সদর) ১১দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী এ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফের সমর্থনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।
পৌর জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে নির্বাচনী জনসভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি আবু সাদিক কায়েম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, জেলা জামায়াতের পলিটিক্যাল সেক্রেটারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী অধ্যাপক আন্তাজুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথি আজহারুল ইসলাম বলেন, একটি দলের নেতা ১৭বছর পর দেশে এসে নির্বাচনী সভায় বলছেন আমরা পালাই না।
পালিয়ে গিয়ে আবার ফিরে এসে মিথ্যা কথা বলছেন। মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। জনগণ জেগে উঠেছে, জামায়াতকে সমর্থন দেবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ভিপি সাদিক কায়িম বলেন, যবকরা এখন ইনসাফের পক্ষ্যে অবস্থান নিয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী যে নির্বাচন হবে সেই নির্বাচনে ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নেবে এবং দাড়িপাল্লাকে নির্বাচিত করবে।
বলেন, একটি দলের গেল দেড় বছরে ৫’শ দিনের আমলনামায় দেখা গেছে তারা নিজেদের অর্ন্তকোলহে ডাবল সেঞ্চুরী করেছে। ২’শ মানুষ হত্যা হয়েছে। তারা তাদের মধ্যেই নিরাপদ নয়, তাহলে তাদের হাতে দেশ কিভাবে নিরাপদ থাকবে।
জনগণকে ভুল সিদ্ধান্ত না নেয়ার আহবান জানিয়ে সাদিক কায়েম বলেন, দুর্নীতিমুক্ত, ফ্যাসিবাদের উত্থান ঠেকাতে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করতে হবে।
সমাবেশ পরিচালনা করেন পৌর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী এ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ পাটোয়ারী।
সমাবেশে ১৫টি ইউনিয়ন ও শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে জামায়াতের নেতা কর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশ স্থলে যোগ দেন।