পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের সোনারায় মধ্যপাড়া এলাকার ভাংড়িরঝাড় বরমতলা নামক স্থানে নীলফামারী থেকে ডোমারগামী সীমান্ত আপ ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে আবুল কাশেম (৮০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। তিনি সোনারায় মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে।
দুর্ঘটনায় তার দেহ থেকে দুই পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং মাথা থেতলে যায়। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আবুল কাশেম দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। ঘটনার সময় তিনি নিজের জমির ফসল দেখতে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনাবশত ট্রেনের নিচে পড়ে নিহত হন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে একই দিন দুপুরে উপজেলার পাঙ্গা মটুকপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেলাপাঙ্গা (ভাটিয়াপাড়া) গ্রামে গোলাপী আক্তার (২১) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি ওই এলাকার মো. দুলাল হোসেনের মেয়ে ও মো. ফিরোজ হোসেনের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোলাপী আক্তার তার বাবার বাড়ির একটি টিনের ঘরের বাঁশের তীরের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। জানা গেছে, বিয়ের পর সন্তান না হওয়াকে কেন্দ্র করে স্বামীর সঙ্গে তার দাম্পত্য কলহ চলছিল। এ কারণে তিনি কিছুদিন ধরে বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। এছাড়া স্বামীর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের করা একটি মামলাও বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।
দুই ঘটনার খবর পেয়ে ডোমার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করে। ট্রেনে কাটা পড়ে নিহত বৃদ্ধের ঘটনায় সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। উভয় ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।