নির্বাচনকালীন জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং দ্রুত উদ্ধার সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে এই মহড়ার আয়োজন করা হয়। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের জিগাবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এ মহড়াটি স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও আশার সঞ্চার করেছে। এই মহড়ার সময় ওই এলাকার সাধারণ ভোটার, সাংবাদিক, গ্রাম পুলিশসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
রংপুর সেনানিবাসের ৬৬ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মো. কামরুল হাসানের সরাসরি দিকনির্দেশনায় মহড়াটি পরিচালিত হয়। এতে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম, সদস্য ও সরঞ্জাম পরিবহন এবং তাৎক্ষণিক সমন্বয় কৌশলের বাস্তব অনুশীলন করা হয়। সংশ্লিষ্টরা জানান, চরাঞ্চলের দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থান ও যোগাযোগের সীমাবদ্ধতাকে বিবেচনায় নিয়ে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সাড়া দেওয়ার প্রস্তুতি যাচাই করাই ছিল এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
মহড়ায় বাস্তব পরিস্থিতির অনুকরণে বিভিন্ন কৌশলগত অনুশীলন সম্পন্ন করেন সেনাসদস্যরা। সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী নিরাপত্তা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এ ধরনের মহড়া নিয়মিত পরিচালনা করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা সেনাবাহিনীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং একে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা জোরদারের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই ধরণের আগাম প্রস্তুতি ভোটের দিন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সহায়ক হবে এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।