1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ফুলছড়িতে এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০২ পূর্বাহ্ন

ফুলছড়িতে এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগ

ফুলছড়ি (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০১ জন দেখেছেন

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় মোবাইল ফোন আটকে রেখে এনসিপির সদস্য শাকিল আহম্মেদ এর বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এনসিপি সদস্য শাকিল আহম্মেদ আহত হয়েছেন এবং স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায় , ফুলছড়ি উপজেলার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য শাকিল আহম্মেদ স্থানীয় তিন যুবক সাগর, আল-আমিন ও হান্নানকে পার্টি অফিসে ডেকে নিয়ে আল-আমিনের মোবাইল ফোন কেড়ে নেয় এবং তাদের কিছু সময় আটকে রেখে তাদের কাছ থেকে চাঁদা দাবীর অভিযোগ উঠেছে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, দুপুরে তারা শাকিলের ডাকে এনসিপির অফিসে গেলে হঠাৎ করে আল-আমিনের ফোনটি কেড়ে নেয় এবং এনসিপির সদস্য শাকিল অফিস কক্ষে তাদের তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। প্রায় ৩০ মিনিট পর তাদের বের হতে দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী আল-আমিন বলেন, আমি সাগর ও হান্নানকে শাকিল এনসিপি অফিসে ডেকে নিয়ে যায় এবং হঠাৎ আমার ফোনটি শাকিল কেড়ে নিয়ে আমাদের তালাবদ্ধ করে রাখে। আমার মোবাইল ফোনে মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে প্রায় ১৩ হাজার টাকা ছিল। ফোন ফেরত চাইলে শাকিল অস্বীকার করেন। পরে আমি জানতে পারি, ফোনটি কালির বাজারের একটি দোকানে এক হাজার টাকা বন্ধক রাখা হয়েছে। এ সময় ফোন চাওয়ায় তাকে হুমকি-ধামকিও দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন আল-আমিন।

ঘটনার পর আল-আমিন স্থানীয় ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব তিতাস আহমেদকে বিষয়টি মীমাংসার জন্য জানান। পরে সাব-রেজিস্টার অফিসে বসে সমাধানের চেষ্টা করা হলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। তবে একাধিক সূত্র জানায়, এ ঘটনায় যুবদলের সদস্যসচিব তিতাস আহমেদের সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই।

ভুক্তভোগী আল আমিন আরো বলেন, “তিতাস ভাই মীমাংসার জন্য গিয়েছিলেন। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়েছে, কিন্তু তিনি মারামারিতে জড়িত ছিলেন না।” অন্যদিকে ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাকিল আহম্মেদ সাংবাদিককে বলেন, মিথ্যা কিছু বানাবেন না। আমি এ বিষয়ে কোনো কথা বলব না। পরে তিনি দাবি করেন, তিতাস তাকে ডেকে নিয়ে যান এবং সেখানে তিতাসসহ আমজাদ, সাগর ও হান্নান তাকে মারধর করেন।

তিতাস আহমেদ বলেন, ফোন কেড়ে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে মীমাংসা করতে গিয়েছিলাম। কথা কাটাকাটির সময় একজনের হাত লেগে শাকিলের নাক ফেটে যায়। আমি মারামারি থামানোর চেষ্টা করেছি। আমার মানহানি করতে ফেসবুকে ভিত্তিহীন পোস্ট দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত শাকিল আহম্মেদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে দাবি করেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিকভাবে তাকে মারধর করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে ফুলছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি দুরুল হোদা জানান, এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাওয়া যায় নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )