1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
রাণীশংকৈল সরকারি ডাক বাংলোর ভাড়া চাওয়ায় কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে পিআইও’র চাঁদাবাজির মামলা | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০০ অপরাহ্ন

রাণীশংকৈল সরকারি ডাক বাংলোর ভাড়া চাওয়ায় কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে পিআইও’র চাঁদাবাজির মামলা

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১২৩ জন দেখেছেন

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার আধুনিক ডাক বাংলোর বকেয়া ভাড়া চাওয়ায় এবং তা না দেওয়ায় ইউএনওর নিকট লিখিত অভিযোগ করায় ডাক বাংলোর কেয়ারটেকার বেলাল হোসেনসহ ৬জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, সরকারি কাজে বাধাসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা করেছেন রাণীশংকৈল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) নুরনবী। মামলাটি গত ১৭ ফেব্রুয়ারী রাণীশংকৈল থানায় দায়ের করেছেন। ডাক বাংলোর কেয়ারটেকারসহ একজন সাধারণ শ্রমজীবি মানুষ ও ৪ সাংবাদিককে আসামী করে তিনি এ মামলা করেছেন। মামলাটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে।

জানা গেছে,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ৫ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত আধুনিক ডাক বাংলোর নন-এসি সিঙ্গেল বেডের ভিআইপি কক্ষে অবস্থান করেন। তবে ডাক বাংলা ছাড়ার সময় তিনি কেয়ারটেকারকে কোন কিছু না জানিয়ে অন্য একজনের মাধ্যমে ঘরের চাবি পৌঁছে দেন। ‎কেয়ারটেকার বেলাল হোসেন জানান,ডাক বাংলোর নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী ওই সময়ের জন্য পিআইওর কাছে মোট ১৪ হাজার ৫০০ টাকা ভাড়া প্রাপ্য হলেও এখন পর্যন্ত তা পরিশোধ করা হয়নি। বারবার মৌখিকভাবে বকেয়া ভাড়া পরিশোধের অনুরোধ জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বিষয়টি এড়িয়ে যান ।

তিনি আরও বলেন আমি বকেয়া ভাড়া চাইতে গেলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমার চাকরি খেয়ে ফেলার হুমকি দেন এবং জেলা প্রশাসক ও চীফ ইঞ্জিনিয়ারকে অভিযোগ করার ভয় দেখান। এমনকি বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শনের কারণে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি ,বকেয়া অর্থ আদায় করতে ব্যর্থ হই এবং ডিসেম্বর মাসের ক্লোজিংয়ে জেলা পরিষদে পূর্ণাঙ্গ হিসাব জমা দিতে পারেননি।

‎আর আমি শুধু সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভাড়া আদায় করতে চেয়েছি কিন্তু উনার হুমকিতে মানসিকভাবে চাপে আছি এবং দায়িত্ব পালনে সমস্যায় পড়েছি, তাই আমি বাধ্য হয়ে ১৫ ই ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার নুরুন্নবী সরকারের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করার দুই দিন পর ১৭ ই ফেব্রুয়ারি রাণীশংকৈল থানায় আমাকে সহ মোট ৬ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলা দায়ের করে। বেলাল হোসেনসহ অন্যান্য আসামীরা হলেন শীত বস্ত্র বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তোলায় পৌর শহরের নজরুল ইসলামের ছেলে আনারুল ইসলাম এছাড়াও পিআইও’র কাছে বিভিন্ন প্রকল্পের তথ্য চাওয়ায় রাণীশংকৈল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মোহনা টেলিভিশনের প্রতিনিধি ফারুক আহাম্মদ সরকার,সাংবাদিক আব্দুল জব্বার,পেয়ার আলী ও রফিকুল ইসলাম সুজন।
‎এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

‎স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সরকারি স্থাপনা ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভাড়া পরিশোধ না করা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীকে হুমকি দেওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তারা বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। রাণীশংকৈল থানার ওসি আমানুল্লাহ বারী বলেন, মামলা তিনি(পিআইও) দিয়েছেন। মামলাটি তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম বলেন,বিষয়টি সরম্পর্কে তিনি তেমন কিছু জানেন না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )