


গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বসতবাড়িতে মজুদ করে রাখা ভিজিএফ’র ৪ হাজার ৩৮৬ কেজি চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে জবাব চেয়ে বিষয়টি তদন্তে ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে প্রধান করা হয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মশিউর রহমানকে। বাকী দু’জন হলেন, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক স্বপন কুমার দে ও উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. আশরাফুল আলম। সোমবার দুপুর ২ টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি।
তিনি বলেন, এর আগে গত রোববার রাত ৮ টার দিকে মো. আবদুল মজিদ মিয়া ওরফে কোনার বসতবাড়ি থেকে ভিজিএফ’র চালগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে সেগুলো স্থানীয় সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছাঃ বিলকিস বেগমের জিম্মায় রাখা হয়েছে। ইউএনও আরও বলেন, চালগুলো কোথা থেকে এসেছে। কারা তার কাছে বিক্রি করেছেন। সবগুলো বিষয় পূঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে খতিয়ে দেখবে এ কমিটি। দোষীদের কোনো ছাড় দেয়া হবে না বলেও জানান এ কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের কিশামত হলদিয়া গ্রামের মো. আবদুল মজিদ মিয়া ওরফে কোনার (৪২) বসতবাড়িতে ভিজিএফ’র চাল মজুদ করা ছিলো। গোপন সংবাদ পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ওই বাড়িতে অভিযান চালান। পরে সেখান থেকে ৪ হাজার ৩৮৬ কেজি ভিজিএফ’র চাল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া চালগুলো পরে স্থানীয় সংরক্ষিত নারী সদস্য মোছা. বিলকিস বেগমের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। মো. আবদুল মজিদ মিয়া ওরফে কোনার মৃত আবদুল জলিল মিয়ার ছেলে।