তিনি আরও বলেন, ওই এলাকায় যাওয়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এমন প্রচার চালানো হচ্ছে যে, নির্বাচিত মূল এমপি সেখানে বড় বিষয় নন, বরং সংরক্ষিত আসনের এমপিই সেখানকার সব কাজ পরিচালনা করবেন। একই বিষয়ে সরকারের একজন প্রতিমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর আগের বক্তব্যের মধ্যে বৈপরীত্য রয়েছে দাবি করে আখতার হোসেন প্রশ্ন তোলেন, এই অতিরিক্ত দায়িত্বের সাংবিধানিক ভিত্তি এবং এর আওতা আসলে কতটুকু। শুধুমাত্র বিরোধী দলের জেতা আসনগুলোতেই কেন এই ধরনের দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে গভীর সন্দেহ প্রকাশ করে তিনি জানতে চান এর মাধ্যমে দেশে কোনো ভিন্ন একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে কি না। এই সামগ্রিক বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ও স্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, কোনো সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য যদি নিজের বক্তব্য দিয়ে নিজেকে নির্দিষ্ট কোনো এলাকায় সীমাবদ্ধ বা লিমিটেড করে ফেলেন, তবে তা মোটেও সঠিক নয়। তাদের বলা উচিত যে তারা সমগ্র বাংলাদেশের জন্য নির্বাচিত। আইন ও বিধি অনুযায়ী, একজন সংসদ সদস্য হিসেবে তারা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে যে সমস্ত সরকারি বরাদ্দ পান, তা তারা বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে উপ-বরাদ্দ দিতে পারেন। দেশের যেকোনো অঞ্চলেই তারা এই বরাদ্দ বণ্টন করতে সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং সমগ্র বাংলাদেশের সমস্ত অধিক্ষেত্রে তারা তাদের সংসদীয় দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। সুনির্দিষ্ট কোনো এলাকা বা দায়িত্বের যে কথা বলা হচ্ছে, তা সংবিধান বা আইন অনুযায়ী তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।





















