1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ভারতে আবারও করোনো ভাইরাসের হাতছানি! | দৈনিক সকালের বাণী
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:০৭ অপরাহ্ন

ভারতে আবারও করোনো ভাইরাসের হাতছানি!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬
  • ২৯ জন দেখেছেন

ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে সম্প্রতি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুইজনের মৃত্যু এবং নতুন করে আটজন কোভিড-১৯ পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর রাজ্যজুড়ে নজরদারি জোরদার করেছে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ। একই সঙ্গে প্রতিবেশি রাজ্যে মৃত্যুর ঘটনায় ওড়িশ্যা সরকার সীমান্ত এলাকায় কড়া সতর্কতা জারি করেছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। খবর এনডিটিভির। অন্ধ্রপ্রদেশের ওয়াইএসআর কাদাপ্পা জেলায় জ্বর ও কাশির মতো উপসর্গ নিয়ে ৫২ বছর বয়সি এক ব্যক্তি এবং পরবর্তী সময়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪৩ বছর বয়সি আরেক ব্যক্তি মারা যান। এই ঘটনার পর স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে আক্রান্ত এলাকায় বিশেষ ‘র‌্যাপিড রেসপন্স টিম’ পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে, মুম্বাইয়ে প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী কুমার শানুর ছেলে জান কুমার শানু করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে গত রোববার (১২ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন। ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের এই পরিস্থিতির কারণে ওড়িশ্যা সরকার সীমান্তবর্তী দক্ষিণ জেলাগুলোয় (মালকানগিরি, কোরাপুট, রায়গড়া, গজপতি, গঞ্জাম এবং নবরঙ্গপুর) লক্ষ্যভিত্তিক স্ক্রিনিংয়ের নির্দেশ দিয়েছে।
ওড়িশ্যায় এখন পর্যন্ত কোনো পজিটিভ কেস পাওয়া না গেলেও সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে সীমান্তে কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে।
ভারতের হায়দরাবাদের যশোদা হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ফিজিশিয়ান ড. দিলীপ গুড়ে বলেন, কাদাপ্পা এলাকায় যে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে, তারা দুজনেই ডায়াবেটিস, লিভার বা কিডনিজনিত জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

সাধারণ ফ্লু ভাইরাসের কারণেও এই ধরনের রোগীদের আইসিইউ বা ভেন্টিলেটর সাপোর্টের প্রয়োজন হতে পারে। তাই এটি নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশিরভাগ ভারতীয় নাগরিকের শরীরে পূর্ববর্তী সংক্রমণ এবং ব্যাপক টিকাদানের ফলে শক্তিশালী ‘হাইব্রিড ইমিউনিটি’ বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয়েছে। ফলে দেশজুড়ে বড় ধরনের মহামারি ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি অত্যন্ত কম।
আস্টার হোয়াইটফিল্ড হাসপাতালের পালমোনোলজি বিভাগের প্রধান ড. শিবরাজ এ এল বলেন, কোভিড এখন এন্ডেমিক (স্থানীয় রোগ) পর্যায়ে চলে গেছে। ফলে মাঝে মধ্যে ছোটখাটো প্রাদুর্ভাব দেখা দিতে পারে। আমাদের কাছে নজরদারি ও জিনোমিক পরীক্ষার মতো সব অস্ত্র প্রস্তুত রয়েছে। তাই বিধিনিষেধের ভয় না পেয়ে আমাদের কেবল সতর্ক থাকতে হবে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )