আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার কোনো ব্যক্তির প্রতি অবিচার করতে চায় না। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই চলছে। তদন্তে অভিযোগের প্রমাণ মিললে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংবিধানের বিধান অনুযায়ীই পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ বিষয়ে সরকার সাংবিধানিক প্রক্রিয়াই অনুসরণ করবে।
জুলাই অভ্যুত্থান-সংক্রান্ত মামলাগুলো দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠিয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান আইনমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বর্তমানে মিথ্যা মামলার প্রবণতা আগের তুলনায় অনেক কমেছে।
নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আইন পেশায় সফল হওয়ার কোনো সহজ পথ নেই। নিয়মিত অধ্যয়ন, দক্ষতা অর্জন, পেশাগত সততা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মানসিকতা নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে। একইসঙ্গে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি, তা নিজের রাজনৈতিক দলের কেউ হলেও।
চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রায় এক হাজার ৫৪ জন নবীন আইনজীবী অংশ নেন। অনুষ্ঠানে আইনজীবীদের পেশাগত নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।





















