বৈঠকে বিজিএমইএর পক্ষে নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাসান খান। এছাড়াও সংগঠনটির পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি (অর্থ) মিজানুর রহমান, পরিচালক শাহ রাঈদ চৌধুরী, পরিচালক জোয়ারদার মোহাম্মদ হোসনে কমার আলম ও পরিচালক সামিহা আজিম।
ওকাইবের প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির ভাইস প্রেসিডেন্ট লিসা লুও, ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সেক্রেটারি জেনারেল ভিভিয়ান হুয়াং, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর স্টিভেন ঝাং এবং সেক্রেটারি টিনা হু।
চীনা উদ্যোক্তাদের এই চাহিদার প্রেক্ষিতে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, তাদের সদস্যদের কাছ থেকে ইমেইলের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করবেন। এ লক্ষ্যে যেসব দেশীয় উদ্যোক্তা তাদের সচল বা বন্ধ কারখানায় চীনা মূলধন ও উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত করতে আগ্রহী, কিংবা শতভাগ মালিকানা/শেয়ার হস্তান্তরের মাধ্যমে জয়েন্ট ভেঞ্চার পার্টনার খুঁজছেন, তাদের কাছে বেশ কিছু তথ্য চাইবে বিজিএমইএ। এর মধ্যে- কারখানার নাম ও সার্বিক বিবরণ, কারখানার আয়তন/স্পেস, যন্ত্রপাতির বিবরণ ও সংখ্যা, কারখানার বর্তমান অবস্থা এবং প্রত্যাশিত অংশীদারিত্বের ধরণ লিখিতভাবে বিজিএমইএর কাছে জানাতে বলা হবে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কারখানার প্রকৃতি ও সক্ষমতা বিশ্লেষণ করে বিজিএমইএ তা ওকাইবের সঙ্গে শেয়ার করবে।
এই ওয়ান-স্টপ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজিএমইএ ও ওকাইব যৌথভাবে সম্ভাব্য চীনা বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে দেশীয় কারখানা মালিকদের একটি কার্যকর ব্যবসায়িক সংযোগ তৈরি করে দেবে। ফলে একদিকে যেমন বন্ধ ও রুগ্ণ কারখানাগুলো নতুন মূলধন ও প্রযুক্তি পেয়ে পুনরায় চালুর সুযোগ পাবে, অন্যদিকে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ ও হাই-ভ্যালু পোশাক উৎপাদনে বিদেশি বিনিয়োগ ত্বরান্বিত হবে।





















