নিজের বাগদান ও বিয়ের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে পূজা বলেন, ‘আমি আগেই একটি সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করে বলেছিলাম—আমি এনগেজড এবং পারিবারিকভাবেই আমার বিয়ে ঠিক করা হয়েছে। আমি এটাও নিশ্চিত করেছিলাম যে, যখনই আমার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে, আমি নিজেই তা প্রকাশ্যে অত্যন্ত আনন্দের সাথে সবাইকে জানাব। লুকানোর কিছু নেই।’
বর্তমানে ক্যামেরার নেপথ্যে থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি লেখেন, ‘বর্তমানে আমি নিজেকে কিছুটা সময় দিচ্ছি, নতুন কাজের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছি এবং সেই কারণেই ক্যামেরার সামনে অনুপস্থিত।’
আইনি দিক মনে করিয়ে দিয়ে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘অনুমতি ছাড়া কারও ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা এবং কোনো নাগরিককে নিয়ে ভিত্তিহীন বা মিথ্যা তথ্য প্রচার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ ও ৪৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের আইনি সুরক্ষা এবং তার ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা ও সুনাম রক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর ২৫ ধারা অনুযায়ী ইন্টারনেটে বা ডিজিটাল মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে মিথ্যা, অপমানজনক বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।’

















