


লালমনিরহাট নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসার সাধারণ শিক্ষার্থীরা শিক্ষকের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন শিক্ষার্থীবৃন্দ। তারা সংবাদ মাধ্যমকে জানায় , গত ৭ নভেম্বর লালমনিরহাট নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসার সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা মোসলেম উদ্দীন সাংবাদিক সম্মেলন করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রদান করেন। তারই প্রেক্ষিতে আজকের এই সংবাদ সম্মেলন।
সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটের সর্ববৃহত ও শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ লালমনিরহাট নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসা। মাদরাসাটির যেমনি আছে সুনাম ‘তেমনি আছে সুখ্যাতি। ১৯৬৫ সালে এই মাদরাসা প্রতিষ্ঠা হয়। বিশিষ্ঠ আলেমেদিন মাওলানা মোজাম্মেল হক প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই অত্যন্ত দক্ষতা, যেগ্যতা, সততার সাথে এই মাদরাসার অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে সম্মানের সাথে অবসর নিয়েছেন। আজও অত্র এলাকার মানুষ তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।
তারপর মাওলানা মাহফুজুর রহমান তিনিও অত্যন্ত দক্ষতা ও যেগ্যাতার সাথে মাদরাসার অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করে অবসর নেন। তারপর ২০১৫ সালে অধ্যক্ষ পদে যোগদান করেন মাওলানা মোসলেম উদ্দীন। তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই শুরু হয় সীমাহিন দূর্নীতি, ঘুস আর চাকুরী বানিজ্য। এমনকি নারি কেলেংকারীরমত জঘন্য ঘটনার সাথেও জড়িত হন মাওলানা মোসলেম উদ্দীন। ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী সরকারের দোসর হওয়ার কারনে দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে তিনি এই সমস্ত কার্যক্রম করেন এবং শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের কন্ঠ রোধ করেন।
তারা আরো জানান,তিনি শিক্ষিকাদের মাতৃত্বকালীন ছুটি দিতেন টাকার বিনিময়ে.মাদ্রাসায় অধ্যায়নরত মেয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে খুব বাজে আচরণ করার অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা জানান,মোসলেম উদ্দিনের সকল অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে বিচার চান।