1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ভারতের আজমীর শরীফের নিচে আছে মন্দির’ খতিয়ে দেখতে বলল আদালত | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৫ পূর্বাহ্ন

ভারতের আজমীর শরীফের নিচে আছে মন্দির’ খতিয়ে দেখতে বলল আদালত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২৪
  • ২৭২ জন দেখেছেন

ভারতের বিখ্যাত আজমীর শরীফের নিচে মন্দির আছে এমন দাবি করে আদালতে পিটিশন দায়ের করেছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন হিন্দু সেনা। গত সেপ্টেম্বরে এই পিটিশন দায়ের করার পর আজমীরের একটি আদালত দাবিটি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি বুধবার (২৭ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পিটিশন দায়ের করা ব্যক্তিরা দাবি করেছে সূফি সাধক মইনউদ্দিন চিশতির দরগা যা আজমীর শরীফ হিসেবে পরিচিত, সেখানে একটি শিব মন্দির রয়েছে। তারা আজমীর শরীফে আবারও পূজা করার অনুমতি প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।

পিটিশনারদের আইনজীবী যোগেশ শিরোজা বলেছেন, দেওয়ানি বিচারক মনমোহন চান্দেল এ ব্যাপারে আজমীর দরগাহ কমিটি, সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় ও ভারতীয় ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থার নয়াদিল্লি অফিসকে নোটিশ প্রদান করেছেন। তাদের সবাইকে নিজ নিজ জবাব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

মাত্র দুইদিন আগে উত্তরপ্রদেশের সামভালে মসজিদের নিচে মন্দির থাকার দাবি নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। সেখানে পুলিশ অন্তত তিন মুসলিমকে গুলি করে হত্যা করে।

আজমীর শরীফ নিয়ে পিটিশন দায়ের করা উগ্রপন্থি শিব সেনার প্রধান নেতা বিষ্ণু গুপ্ত বলেছেন, “আমাদের দাবি হলো আজমীর শরীফকে ‘সংকট মোচন মহাদেব’ মন্দির হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। যদি দরগার কোনো ধরনের রেজিস্ট্রেশন থাকে সেটি বাতিল করতে হবে। ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থাকে দিয়ে জরিপ করাতে হবে এবং হিন্দুদের সেখানে পূজা করার অধিকার দিতে হবে।”

আদালতে দায়ের করা পিটিশনে ১৯১১ সালে অবসরপ্রাপ্ত বিচারক হর্বিলাস সার্দার লেখা একটি বইয়ের উদ্ধৃতি দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আজমীর শরীফের চারপাশে হিন্দু ধর্মের মৃৎশিল্প ও খোদাই রয়েছে।

ওই বইয়ে দাবি করা হয়েছিল শিব মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ দিয়ে আজমীর শরীফ তৈরি করা হয়েছে। এবং দরগাটির সবচেয়ে পবিত্রতম জায়গায় এখনো একটি জৈন মন্দির রয়েছে।

তবে দরগাহ কমিটি এই দাবি অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, এখানে আফগানিস্তান থেকে শুরু করে ইন্দোনেশিয়াসহ সব ধর্ম বর্ণের মানুষ আসেন। এখানে বহুতত্ববাদ প্রচার হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )