সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করেছে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। এবার বাংলাদেশ থেকে ২০২৬ সালের পবিত্র হজ পালনের খরচ সামান্য কমেছে। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে হজের প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। প্রস্তাবিত তিনটির
শঙ্খ ও উলুধ্বনির সাজ সাজ রবে শুরু হয়ে গেছে দুর্গাপূজার আয়োজন। হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় এই উৎসব ঘিরে মণ্ডপে মণ্ডপে প্রস্তুতির পর্ব এখন শেষ পর্যায়ে। বছর ঘুরে শরতের শুভ্রতা নিয়ে কাশফুলের দোলায় ঢাকঢোল, রোববার মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হতে হচ্ছে
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুপম জীবনাদর্শ, সর্বজনীন শিক্ষা ও সুন্নাহর অনুসরণ আজকের এ দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় বিশ্বে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে পারে। পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন প্রধান
আল্লাহ তায়ালা প্রথমে আকাশ, পৃথিবী এবং ফেরেশতা সৃষ্টি করেছিলেন। এরপর ফেরেশতাদের আকাশে এবং জিনদের পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা করলেন। জিনেরা দীর্ঘকাল পৃথিবীতে বসবাস করলো। আস্তে আস্তে তাদের ভেতর হিংসা, বিদ্বেষ, হানাহানি ও অশান্তি শুরু হলো। এমনকি রক্তপাতও হলো। উশৃঙ্খল জিন জাতিকে শাস্তি
শৈশবেই মা-বাবা পৃথিবীর আলো-বাতাস ছেড়ে চলে যাওয়া শিশুরা জান্নাতে হজরত ইবরাহিম (আ.) সঙ্গে থাকে। পৃথিবীতে বন্ধু-ভাই-বোনের সঙ্গে খেলা করতে না পারলেও তারা জান্নাতের বাগানে হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর আশপাশে থেকে খেলা করে। হজরত সামুরা ইবনে জুনদুব (রা.) থেকে বর্ণিত দীর্ঘ একটি
ইসলামী স্বর্ণযুগের মেধাবী গণিতবিদ ছিলেন ইবনুল হায়সাম। একইসঙ্গে তিনি ছিলেন একজন পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিদ। ইতিহাসে তিনি ‘অপটিকসের জনক’ (দৃষ্টিবিজ্ঞান) হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছেন। কারণ তিনি আলো, দৃষ্টিশক্তি ও দৃষ্টিবোধ সম্পর্কে যুগান্তকারী তত্ত্ব উপস্থাপন করেছিলেন। তিনিই প্রথম বলেছিলেন, দৃষ্টিশক্তি সৃষ্টি হয়
উত্তম রিজিকের (জীবিকা) জন্য মানুষ বাহ্যিকভাবে পরিশ্রম করে ও নিজেকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করে। কিন্তু শুধু পরিশ্রম ও যোগ্যতাই একজন মানুষকে রিজিক দান করে না, বরং এর পেছনে রয়েছে কিছু আত্মিক ও রুহানিয়াতভিত্তিক উপাদান। চারটি আত্মিক গুণ চর্চার
সূরা মুলুক পবিত্র কোরআনের একটি ফজিলতপূর্ণ সূরা। এই সূরা পাঠের অনেক ফজিলত রয়েছে। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা মূলক পাঠ করবে সে যাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে। হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
নামাজ অবস্থায় এক হাত অথবা মাথা দিয়ে ইশারা করে কারো কোনো কথা বা প্রশ্নের উত্তর দিলে নামাজ নষ্ট হয় না। তবে নামাজে থাকা অবস্থায় এভাবে ইশারায় উত্তর দেওয়াও ঠিক নয়। কোরআন মাজিদ এবং হাদিস শরিফে নামাজে খুশু-খুযুর প্রতি খুব গুরুত্ব দেওয়া
আজানের সময় অযথা কথাবার্তা না বলে আজান শোনা ও আজানের জবাব দেওয়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। আজানের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি হলো মুআজ্জিন যা বলে তা বলা, শুধু ‘হাইয়া আলাস সালাহ, হাই য়ালাস ফালাহ’ বললে এর জবাবে ‘লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা