নিহতদের পরিবার ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়,ঘটনার দিন শেষ বিকেলে আশরাফ আলী, তার স্ত্রী জামফুল বেগম(৩৫),ছেলে লিমন ইসলাম(৫),মেয়ে আঁখি আক্তার(১২),বড় বোন রুপিয়া বেগম ও বড় বোনের ছেলে ভাগনে সুজন আলী(১২)কে নিয়ে চাপানী বাজার থেকে ওই এলাকার মঈনুল ইসলামের অটোরিকশাতে করে ডালিয়া ভাগনি জামাইয়ের(রুপিয়ার মেয়ে জামাই) বাড়িতে নবজাতক সন্তান দেখতে যাচ্ছিলেন।
পথিমধ্যে তালতলা নামক স্থানে বিপরিত দিক থেকে আসা মেসার্স এস,এম এন্টারপ্রাইজ নামের ঢাকা মেট্রো-ট ২৪-৫৫৮৩ নম্বরের একটি বেপরোয়া গতির ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিলে মুখোমুখি সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই আশরাফ আলী মারা যান।এ ঘটনায় স্থানীয়রা চালকসহ অটোরিকশাতে থাকা অন্যান্য যাত্রিদের গুরুত্বর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে জলঢাকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
পরে রংপুর নেয়ার পথিমধ্যে আশরাফের বড় বোন রুপিয়া বেগমও মৃত্যুবরণ করেন।খবর পেয়ে লালমনিরহাটের হাতিবান্ধা হাইওয়ে পুলিশ,ডিমলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই চালক ট্রাকটি রেখে পালিয়ে যাওয়ায় ঘাতক ট্রাকটি ও ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশাটিকে নিজেদের হেফাজতে নেয় হাতিবান্ধা হাইওয়ে থানা পুলিশ।পরে এ ঘটনায় নিহতদের চাচাতো ভাই বাদি হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে ডিমলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
হাতিবান্ধা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)হারুন অর রশিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,সুরতহাল শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।হাতিবান্ধা হাইওয়ের সিমানায় সড়ক দুর্ঘটনাটি হওয়ায় ঘাতক ট্রাক ও ক্ষতিগ্রস্ত অটোরিকশাটি আমাদের হেফাজতে রয়েছে।ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) ফজলে এলাহী বলেন,এ ঘটনায় নিহতদের চাচাতো ভাই বাদি হয়ে সড়ক পরিবহন আইনে মামলা নম্বর-১১তারিখ ২০/১১/২০২৫ ইং দায়ের করেছেন।মামলাটি হাতিবান্ধা হাইওয়ে থানা পুলিশ তদন্ত করবেন।