


প্রশংসাপত্র ও নম্বরপত্র আটকে অর্থ দাবির অভিযোগে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার দামুর চাকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক খন্দকার ফখরুল ইসলাম এবং লাইব্রেরিয়ান এমদাদুল হক মিলনের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার পীরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দেবাশীষ বসাক উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু তাহেরকে তদন্তের দায়িত্ব প্রদান করেন। এর আগে বৃহস্পতিবার সকালের বাণীসহ একাধিক পত্রিকায় এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়।
ইউএনও দেবাশীষ বসাক বলেন, অভিযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। শিক্ষার্থীর সার্টিফিকেট জিম্মি করে টাকা নেওয়ার অভিযোগ আইনগতভাবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তিনি জানান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারকে ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু তাহের বলেন, তদন্ত করে খুব দ্রুত একটি প্রতিবেদন দাখিল করা হবে। সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হবে।
অভিযোগকারী শিক্ষার্থীর পরিবার জানায়, স্থানীয় প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে তারা আশাবাদী। তারা চান, আর কোনো অভিভাবক যেন এমন দুর্ভোগের শিকার না হয়। স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহল প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, শিক্ষক দম্পতির কোচিং বাণিজ্যসহ দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে সার্টিফিকেট আটকে অর্থ আদায় করা নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছিল। দ্রুত তদন্ত শেষে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তাদের।