
দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলায় শুরু হয়েছে আগাম আলু উত্তোলন। মাঠজুড়ে এখন কৃষকদের ব্যস্ত সময়। ভোর থেকেই আলু তোলা, বাছাই ও বাজারজাত করার কাজ চলছে। চলতি রবি মৌসুমে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে আগাম আলুর উৎপাদন ভালো হয়েছে। বাজারে দাম তুলনামূলক সহনীয় থাকায় কৃষকদের মাঝে স্বস্তি ফিরলেও উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত লাভ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন অনেক চাষি।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রবি মৌসুম ২০২৫–২৬ এ বোচাগঞ্জ উপজেলায় মোট ১৫৫ হেক্টর জমিতে আগাম আলুর চাষ হয়েছে। এর মধ্যে গ্রানুলার ২৯ হেক্টর, ডায়মন্ড ৬৯ হেক্টর, কার্ডিনাল ২৩ হেক্টর, কারেজ ৯ হেক্টর, সানসাইন ৭ হেক্টর, বারি আলু (–৮৬) ১ হেক্টর, মিউজিকা ৫ হেক্টর, রোমানিয়া ৭ হেক্টর এবং সাগিটা ৫ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে।
রবিবার উপজেলার কৃষক বদরুদ্দোজা (বাপন) বলেন, তিনি এবছর সাগিটা জাতের আগাম আলু ৬ বিঘা জমিতে চাষ করেছেন। ফলন ভালো হলেও দাম কিছুটা কম। বর্তমানে কেজিপ্রতি প্রায় ২৩ টাকা দরে আলু বিক্রি হচ্ছে। খরচের তুলনায় লাভ খুব বেশি হবে না বলে তিনি জানান।
আরেক কৃষক জানান, উৎপাদন ভালো হলেও সার, বীজ ও শ্রমিকের বাড়তি খরচে প্রত্যাশিত মুনাফা পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা রয়েছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নয়ন কুমার সাহা বলেন, এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আগাম আলুর ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকদের উন্নত জাত ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।
Related