শুক্রবার সকাল সাড়ে নয়টা থেকে দুপুর সাড়ে বারোটা পর্যন্ত জেলা শহরের জুলাই স্মৃতি স্তম্ভ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত কর্মসুচিতে ১১-২০ গ্রেডের সরকারী চাকুরীজীবীরা অংশ নেন।
১১-২০ গ্রেড সরকারী চাকুরীজীবী ফোরাম জেলা শাখার সভাপতি রাশেদুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রতিকি অনশন কর্মসুচি চলাকালে বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর রহমান ও কেন্দ্রীয় সদস্য মনিরুজ্জামান মনির।
বক্তারা উল্লেখ করেন, সরকারী কর্মচারীরা যে পরিমান বেতন পান তা দিয়ে সংসার চালানো হিমশিম হয়ে গেছে। বাজার মুল্যের সাথে বেতন কাঠামো অসামঞ্জস্য। আমরা টিকতে পারছি না।
বলা হয় ১২টি গ্রেডে নুন্যতম বেতন ৩৫হাজার টাকা নির্ধারণ করে দ্রুত সময়ের মধ্যে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করতে হবে এবং পহেলা জানুয়ারী থেকে তা কার্যকর করতে হবে। অন্যথায় বৃহত্তর কর্মসুচি পালন করবে সারাদেশের সরকারী চাকুরীজীবীরা।
১১-২০ গ্রেড সরকারী চাকুরীজীবী ফোরাম জেলা শাখার সভাপতি রাশেদুজ্জামান চৌধুরী জানান, সারাদেশে একযোগে শুক্রবার এই কর্মসুচি পালিত হয়েছে। সরকার যদি আমাদের দাবী বাস্তবায়ন না করে তাহলে কঠোর কর্মসুচি ঘোষণা করা হবে।