সংবাদ সম্মেলনে ডাঃ জিয়া অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনের দিন পরিকল্পিতভাবে ‘ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং’ ও জালিয়াতির মাধ্যমে তাকে পরাজিত করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, উপজেলার অন্তত ৫০-৬০টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার আগেই প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে ফলাফল শিটে অগ্রিম স্বাক্ষর নিয়ে নেন। এমনকি অনেক কেন্দ্রে এজেন্টদের স্বাক্ষর ছাড়াই ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়।
ফলাফল টেম্পারিং ডিজিটাল বা ম্যানুয়াল কারচুপির মাধ্যমে ধানের শীষের বিজয় ছিনিয়ে নিয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থীকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। একইসঙ্গে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ এবং ওই আসনে পুনরায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে ভোট গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সহ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম সরকার জিন্নাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোশাররফ হোসেন বাবু, এ্যাড. মন্জুর মোর্শেদ বাবু, সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক বাবুল আহমেদ, সদস্য সচিব মাহমুদুল ইসলাম প্রামানিক প্রমুখ। এছাড়াও স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।