


রাষ্ট্রদূত ওয়েন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে খলিলুর রহমানকে বেইজিং সফরের আমন্ত্রণ জানান।
ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে ভারতের প্রস্তুতির কথা জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে একটি দূরদর্শী ও সুষম অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেন। উভয় পক্ষই নিয়মিত ও গঠনমূলক যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হয়। রাষ্ট্রদূত ভার্মা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের পক্ষ থেকে খলিলুর রহমানকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ পৌঁছে দেন।
পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করতে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন। খলিলুর রহমান দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশের জনগণের কল্যাণে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।