1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
খানসামায় জ্বালানি জালিয়াতির অভিযোগ | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০২:৪০ অপরাহ্ন

খানসামায় জ্বালানি জালিয়াতির অভিযোগ

খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১৪ জন দেখেছেন

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার হলদিপাড়ায় অবস্থিত খানসামা ফিলিং স্টেশনে তেল কম দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন সাধারণ মোটরসাইকেল চালকসহ বিভিন্ন যানবাহনের ব্যবহারকারীরা। ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, নির্ধারিত দামের তুলনায় কম পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। কেউ ১০০০ টাকার তেল কিনতে গেলে পাচ্ছেন আনুমানিক ৮০০ টাকার সমপরিমাণ তেল; একইভাবে ৬০০ টাকার তেলের বিপরীতে দেওয়া হচ্ছে প্রায় ৫০০ টাকার তেল। অনেকেই তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি বুঝতে না পারলেও পরবর্তীতে মাইলেজ কমে যাওয়া এবং তেলের পরিমাণে অসামঞ্জস্য দেখে প্রতারণার বিষয়টি টের পাচ্ছেন। ভুক্তভোগী গ্রাহক মোস্তাফিজুর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল কিনি; কিন্তু ১০০০ টাকা দেওয়ার পরও আমাকে প্রায় ৮০০ টাকার তেল দেওয়া হয়েছে। এটা সরাসরি প্রতারণা।

আরেক ভুক্তভোগী সোহান আলী বলেন, “আমার ছেলে ৪১৯০ টাকার ডিজেল কিনেছে। পাম্পের কর্মচারীকে ৪৫০০ টাকা দিলে ১৫০ টাকা ফেরত দেয়; বাকি ১৬০ টাকা চাইতে গেলে বলে ‘মহাজনের কাছে বলেন’। পরে মহাজনের কাছে গেলে বাকি টাকাও ফেরত পাই। এতে ভোগান্তি ও হয়রানি দুটোই হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সরকারি কর্মকর্তা জানান,“ওই ফিলিং স্টেশনের মালিকপক্ষের ব্যবহার ভালো নয়; তারা গ্রাহকদের সঙ্গে যথাযথ আচরণ করেন না। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই ফিলিং স্টেশনটিতে এ ধরনের অনিয়ম চললেও প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি বা দৃশ্যমান কোনো অভিযান চোখে পড়ছে না। এতে অসাধু ব্যবসায়ীরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ তাদের। অভিযোগের বিষয়ে ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারীর সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান বলেন, “এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” অন্যদিকে, জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম–এর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম জানান, “বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি। সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )