


শিক্ষার মান কে এগিয়ে নিতে বর্তমান সরকারের শিক্ষা মন্ত্রী এহসানুল হক মিলন নকল মুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মানে কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার মধ্যে দিয়ে শিক্ষাই জাতির মেরুদণ্ড এই কথাটির তাৎপর্য পূর্ণ করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
ঠিক সেই মূহুর্তে কালের বিবর্তনে ভিন্ন রুপ পরিলক্ষিত হয়েছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বড়ভিটায় মিশন কোচিং সেন্টারে। উক্ত প্রতিষ্ঠানে মাসিক মূল্যায়ন পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে অস্বাভাবিক একটি ঘটনা ঘটেছে। লেখার বদলে বন্ধুর পরীক্ষার খাতা ফটোকপি করে জমা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ঐ প্রতিষ্ঠানের এক দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। জানা যায়, সোমবার আসিফ ছন্দ নাম দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী, মিশন কোচিং সেন্টারে বাংলা বিষয়ের মাসিক মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা শেষে সে নিজে উত্তরপত্র লেখার পরিবর্তে এক সহপাঠীর খাতা ফটোকপি করে জমা দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিষয়টি কোচিং কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হওয়ায় খাতা যাচাই-বাছাই করে একই ধরনের উত্তরপত্রের হুবহু মিল দেখে সন্দেহাতীত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ঐ শিক্ষার্থী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
কোচিং সেন্টারের এক শিক্ষক জানান, এ ধরনের কাজ শিক্ষার্থীদের নৈতিক অবক্ষয়ের ইঙ্গিত বহন করে আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছি। এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ এটিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, আবার অনেকে শিক্ষার্থীদের সঠিক দিকনির্দেশনার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেছেন।
সংশ্লিষ্ট কোচিংয়ের পরিচালকের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন বন্ধে শিক্ষক-অভিভাবক সকলকে আরও সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা ও সততার উপর গুরুত্ব দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করতে হবে।
বাংলার শিক্ষকের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন সংক্রান্ত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির প্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের এমন দুঃসাহস দেখানোর কোনো সুযোগ নেই।