1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
ইউরোপের কৃষি ভর্তুকি যাচ্ছে আমিরাতের রাজপরিবারে | দৈনিক সকালের বাণী
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৫:০০ অপরাহ্ন

ইউরোপের কৃষি ভর্তুকি যাচ্ছে আমিরাতের রাজপরিবারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : শুক্রবার, ৮ মে, ২০২৬
  • ১৪ জন দেখেছেন

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শাসক আল-নাহিয়ান পরিবার রোমানিয়া, স্পেন ও ইতালিতে কৃষিজমির মালিকানার মাধ্যমে ছয় বছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের কৃষি ভর্তুকি হিসেবে ৭ কোটি ১০ লাখ ইউরোর বেশি পেয়েছে। ডিসমগ, দ্য গার্ডিয়ান, এল দিয়ারিও এবং জি৪মিডিয়ার যৌথ অনুসন্ধানে প্রকাশ পেয়েছে এমন তথ্য।

ধারণা করা হয়, আল-নাহিয়ান পরিবারের সম্পদের পরিমাণ ৩২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। তারা বিশ্বের ধনী রাজপরিবারগুলোর একটি এবং তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশাল তেলসম্পদের নিয়ন্ত্রণ করে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, পরিবারটির সঙ্গে যুক্ত কোম্পানি এবং আবুধাবির সার্বভৌম সম্পদ তহবিল এডিকিউ ইউরোপীয় ইউনিয়নের কমন অ্যাগ্রিকালচারাল পলিসির (সিএপি) আওতায় অন্তত ১১০টি ভর্তুকি পেয়েছে।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতি বছর প্রায় ৫৪ বিলিয়ন ইউরো কৃষক ও গ্রামীণ অঞ্চলে বিতরণ করা হয়। সবচেয়ে বড় ভর্তুকি গেছে অ্যাগ্রিকস্টের কাছে, যা রোমানিয়ার ৫৭ হাজার হেক্টরের বিশাল খামার এবং ২০১৮ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কৃষি প্রতিষ্ঠান আল-দাহরা প্রায় ২৩ কোটি ইউরোতে এটি কিনে নেয়। শুধু ২০২৪ সালেই অ্যাগ্রিকস্ট সরাসরি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভর্তুকি হিসেবে ১ কোটি ৫ লাখ ইউরো পেয়েছে, যা ইউরোপীয় ইউনিয়নের গড় কৃষি ভর্তুকির তুলনায় অনেক বেশি।

আল-দাহরা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ানের ভাই শেখ হামদান বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান এবং প্রতিষ্ঠানটির আংশিক মালিক এডিকিউ।অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, আল-দাহরার মালিকানাধীন স্পেনের খামারগুলো ২০১৫ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে ৫০ লাখ ইউরোর বেশি ভর্তুকি পেয়েছে। অন্যদিকে, ২০২২ সালে এডিকিউ কর্তৃক অধিগৃহীত ফল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিফ্রুট্টির মালিকানাধীন ইতালীয় খামারগুলো সিএপি তহবিল থেকে পেয়েছে অন্তত ১ লাখ ৮৬ হাজার ইউরো। এই খামারগুলোর অনেকগুলোয় আল-ফালফা ও পশুখাদ্য উৎপাদন করা হয়, যা মূলত উপসাগরীয় অঞ্চলে রপ্তানির জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের খাদ্য নিরাপত্তা কৌশলের অংশ। দেশটি নিজস্ব প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত খাদ্য আমদানি করে।

সমালোচকদের মতে, এ ভর্তুকি ইউরোপীয় ইউনিয়নের ব্যবস্থার দুর্বলতা তুলে ধরে, যেখানে প্রয়োজনের বদলে জমির পরিমাণের ভিত্তিতে অর্থ দেওয়া হয়। বিভিন্ন প্রচারকর্মী ও আইনপ্রণেতারা বলেছেন, ইউরোপীয় করদাতাদের অর্থ স্থানীয় কৃষকদের সহায়তায় ব্যয় হওয়া উচিত, ধনী বিদেশি রাজপরিবার বা কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থার পেছনে নয়। ইউরোপীয় কমিশন এখন সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে, যার আওতায় বড় জমির মালিকদের জন্য বার্ষিক ভর্তুকির সীমা প্রতি খামারে ১ লাখ ইউরো নির্ধারণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )