প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কাউকে বাদ দিচ্ছি না : শিক্ষামন্ত্রী
সকালের বাণী ডেস্ক
আপলোডের সময় :
রবিবার, ৩ মে, ২০২৬
৩১
জন দেখেছেন
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে চূড়ান্তভাবে নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জনের কেউ বাদ পড়বে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রবিবার (৩ মে) বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যদিও ১৪ হাজারের বেশি সহকারী শিক্ষক নিয়োগটা তড়িঘড়ি করে করা হয়েছে। অনেক প্রশ্ন রয়েছে।
তবু আমরা কাউকে বাদ দিচ্ছি না। সবাই যোগদানের সুযোগ পাবে।’ কবে নাগাদ যোগদান হতে পারে—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘খুব শিগগির। সচিবালয়ে গিয়ে ফাইল খুলে দেখে এটা বলা যাবে। কী কী প্রসিডিউর বাকি আছে, সেটা দেখতে হবে। প্রসিডিউর শেষ হলেই যোগদান করানো হবে।’সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের কিছু শর্তসাপেক্ষে যোগদান করানো হবে বলে মন্ত্রী আগেই জানিয়েছিলেন। সেসব শর্ত কী কী হতে পারে—এমন প্রশ্নে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তাদের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
তাদের এ কাজে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তাতে তারা যোগ্য কি না, কোনো ঘাটতি আছে কি না, সেটা দেখা হবে। ধরুন, তাদের যোগদানের পর পিটিআইতে ট্রেনিং নেবে। সেখানে যদি তারা ফেল করে তাহলে তো আর শিক্ষক হতে পারবে না।‘তা ছাড়া সরকারি বিধিতে যেটা আছে যে, চাকরিতে যোগদানের পর তারা সাকসেসফুলি (সফলভাবে) যদি দুই বছর পার করতে পারে, তাহলে তাদের রাখবো, পারমানেন্ট করবো। সব কিছুই করা হবে দেশের শিক্ষার স্বার্থে।
আমরা সবাই চাই যোগ্য শিক্ষকরা নিয়োগ পাক, আমাদের সন্তানদের পড়াক’—যোগ করেন শিক্ষামন্ত্রী। ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আব্দুল খালেক, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।