হাতীবান্ধা সরকারি আলিমুদ্দীন ডিগ্রি কলেজের সাবেক এই শিক্ষার্থী বর্তমানে তুরস্কে ম্যাকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে অধ্যয়ন করছেন। তার টিমের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর এবং অ্যান্টি-জ্যামিং ড্রোন প্রদর্শিত হয়েছে এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে।
শুরুতে ড্রোন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করাকে অনেকেই গুরুত্ব দেননি। আশপাশের মানুষ এটিকে ভবিষ্যতহীন মনে করে নিরুৎসাহিত করেছেন। এমনকি পরিবারকেও শুনতে হয়েছে নানা নেতিবাচক মন্তব্য।
তবে থেমে থাকেননি তরঙ্গ। নিজের আগ্রহকে শক্তি হিসেবে নিয়ে এগিয়ে গেছেন তিনি।
পরবর্তীতে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ নিয়ে তুরস্কে পড়তে যান তরঙ্গ। সেখানে পড়াশোনার পাশাপাশি ড্রোন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ চালিয়ে যান। তার দক্ষতা নজরে আসে তুরস্কের প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান Şimşek Savunma-এর। প্রতিষ্ঠানটির আমন্ত্রণে তিনি তাদের গবেষণা দলে যুক্ত হন।
মাত্র এক বছরের ব্যবধানে তরঙ্গ ও তার দল তৈরি করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর একটি উন্নত ড্রোন, যা জ্যামিং প্রতিরোধে সক্ষম। আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে এই প্রযুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এই উদ্ভাবনের স্বীকৃতি হিসেবে তারা অংশ নেন SAHA Expo-তে। প্রদর্শনীতে Baykar, Aselsan এবং Roketsan-এর মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়।
তরঙ্গ বলেন, এই জায়গায় পৌঁছানো সহজ ছিল না। নিরলস পরিশ্রম আর পরিবারের সমর্থনই আমাকে এগিয়ে নিয়েছে।
আরও বলেন, হাতীবান্ধা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক মঞ্চ এই অর্জন শুধু আমার নয়, আমাদের সবার।