


দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ সব আসামীকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার ৪ দিনের মধ্যে ২ জন ও সর্বশেষ পুলিশ শনিবার একজনকে এবং সোমবার একজনকে দিনাজপুর আদালতে সোপর্দ করেছে। মামলা সূত্রে প্রকাশ, বিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের সন্দলপুর এলাকার পাকা রাস্তার পাশে গত ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীরা পুলিশে খবর দেন। পুলিশ তথ্য প্রযুক্তির মাধমে পরিচয় সনাক্ত করে জানতে পারে লাশটি বিরামপুর উপজেলার বেগমপুর গ্রামের কছির উদ্দিনের ছেলে বাবুল হোসেনের।
পরে অনুসন্ধানে পুলিশ জানতে পারে, বাবুল হোসেন একজন অটোরিক্সা চালক ছিলেন। তার অটোরিক্সা ছিনিয়ে নিয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা তাকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে। ব্যাপক তৎপরতার মাধ্যমে মাত্র ৪ দিনের মধ্যে ছিনতাইকৃত অটোরিক্সা উদ্ধার এবং হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে বিরামপুর পৌর এলাকার হাতিডোবা নয়াপাড়া গ্রামের আসমত আলীর ছেলে লিয়ন মণ্ডল (১৯) ও ইসলামপাড়া গ্রামের বিশ্বনাথ দোমাসুর ছেলে সাগর ঋষি দিপুলকে (৩৩) গ্রেফতার করে। সর্বশেষ বিরামপুর থানা পুলিশ শুক্রবার (৮মে) ঢাকার আশুলিয়া থেকে বর্ষন ঋষিকে (২১) এবং রবিবার (১০ মে) নোয়াখালীর সুধারাম থানা পুলিশের সহায়তায় হৃদয় ঋষি বাবুকে (২২) গ্রেফতার করেছে। ঋষি সম্প্রদায়ের ৩ আসামি পেশায় জুতা সেলাইকারী মুচি পরিবারের সদস্য।
বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম সরকার জানান, ক্লুলেস ওই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে অটোরিক্সা উদ্ধার এবং সর্বশেষ রবিবার একজনকে গ্রেফতারের মাধ্যমে সব আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আগের তিন আসামী জেল হাজতে রয়েছে এবং তাদের মধ্যে একজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে। সর্বশেষ রবিবার হৃদয়কে গ্রেফতারের পর রিমাণ্ড আবেদনসহ সোমবার (১১মে) দিনাজপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।