


রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আন্তঃ উপজেলা বিতর্ক প্রতিযোগিতায় মেধা ও যুক্তির দীপ্তি ছড়িয়েছে শিক্ষার্থীরা। উপজেলার ৯৫ টি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার অংশগ্রহণে বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন উপজেলা প্রশাসন। মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ পারভেজ শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করে তুলতে বিশেষ উদ্যোগে এই বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন।
মঙ্গলবার বিকেলে মিঠাপুকুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের হাতে পুরস্কার ও ট্রফি তুলে দেন রংপুর জেলা প্রশাসক মোঃ রুহুল আমিন। অনুষ্ঠানে ৩য় ও ৪র্থ স্থান পাওয়া দলকেও পুরস্কার দেওয়া হয়। এর আগে উপজেলার ৫ টি ভেন্যুতে ৯৫টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। ভেন্যু পর্যায় থেকে নির্বাচিত দল ১৫ জুন উপজেলার মডেল মসজিদ হলরুমে দ্বিতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বিতর্ক উপস্থাপন করেন। সেখান থেকে চুড়ান্ত ৮ টি দল সেমিফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ফাইনাল রাউন্ডে মুখোমুখি হয়ে নিজ নিজ দলের যোগ্যতার প্রমাণ দেন।
অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জানান, উপজেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে পেরে আমরা আনন্দিত। অনেক অজানা বিষয় জানতে পেরেছি। নিজেদের জাতীয় পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সাহস পেয়েছে। আমরা অনেক খুশি। অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মেডেল এবং ট্রফি তুলে দেওয়ার মুহুর্তটা ছিল প্রশংসনীয়। শিক্ষার্থীদের চোখেমুখে ফুটে উঠে আগামীর স্বপ্ন এবং মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর দৃড় সাহস। মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ পারভেজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা প্রশাসক মোঃ রুহুল আমিন।
বিশেষ অতিথি মিঠাপুকুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, রংপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হক, মিঠাপুকুর উপজেলা জামায়াতের আমীর আসাদুজ্জামান শিমুল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নিক্সন পাইকার, রংপুর সরকারি কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান অধ্যাপক সাজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ প্রমূখ। মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ পারভেজ বলেন, সবার সহযোগিতায় শিক্ষাক্ষেত্রে মিঠাপুকুরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আমি যতোদিন আছি এমন প্রোগ্রামের ধারাবাহিকতা থাকবে ইনশাআল্লাহ।
যাতে আমাদের সন্তানরা বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে মেধা বিকাশের সুযোগ পায়। আমাদের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি জেলা ও জাতীয় পর্যায়ে মিঠাপুকুরের সুনাম ছড়াবে এটাই প্রত্যাশা।