
নীলফামারীর ডিমলায় বিয়ের একদিন পর মসজিদের ভিতর থেকে মো. মালেক(২১)নামে এক মুয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছেন থানা পুলিশ।বুধবার(১৫ জুলাই)দিবাগত রাত ১ টার সময় উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝুনাগাছ চাপানি (মুনাকাশা) গ্রামের বাইতুন নূর জামে মসজিদের ভিতরে স্বজনরা তার ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে ডিমলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য থানায় নেন।তিনি ওই এলাকার মৃত নুরুল হকের ছেলে ও উক্ত মসজিদের মুয়াজ্জিন, নাউতারা ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের মসজিদের খতিব,জলঢাকা দারুল হাদিস মডেল মাদ্রাসা’র শিক্ষক ছিলেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়,গত বুধবার রাত ১০টার সময় মুয়াজ্জিন মালেক বাড়িতে রাতের খাবার খেয়ে বেড়িয়ে যান।রাত ১২ টায়ও বাড়িতে না ফেরায় তার পরিবারের লোকেরা তাকে খোঁজাখুঁজি করেন।খবর দেয়া হয় তার পাশ্ববর্তী শ্বশুর বাড়িতেও।পরে তার শ্বশুর,পরিবারের লোকেরাসহ স্থানীয়রা তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে রাত ১টার সময় ওই মসজিদের বারান্দায় তার জুতা দেখতে পান।
এক পর্যায়ে লাইট চালালে মসজিদের ফ্যান লাগানো লোহার সাথে প্লাস্টিকের রশি গলায় লাগানো তার মৃতদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশকে খবর দেন।পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠান।স্থানীয়রা জানান,একই এলাকার জিকরুল হকের মেয়ের সাথে গত ১৪ জুলাই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।বিবাহ রেজিস্ট্রার ও মোহর পড়ানোর সময় বর পক্ষ-কনে পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা সহ মনমালিন্য হয়েছিলো।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)শওকত আলী বলেন,মৃতদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।প্রাথমিক ভাবে তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
তার পরিবারের কথা মত অপমৃত্যুর(ইউডি)মামলা করা হয়েছে।
Related