1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
বাংলাদেশ থেকে ৩ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে নিতে কেন দেরি হবে, জানাল মিয়ানমার | দৈনিক সকালের বাণী
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন

বাংলাদেশ থেকে ৩ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে নিতে কেন দেরি হবে, জানাল মিয়ানমার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপলোডের সময় : সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭ জন দেখেছেন

বাংলাদেশের শরণার্থী শিবির থেকে ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে মিয়ানমার এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হতে বিলম্ব হতে পারে। বিলম্বের কারণ হিসেবে রাখাইন প্রদেশে চলমান সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিকে দায়ী করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাখাইনের পরিস্থিতি শান্ত হওয়ার পর রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের বেশ কয়েকটি পুলিশ স্টেশন ও সেনা ছাউনিতে সশস্ত্র রোহিঙ্গা গোষ্ঠী আরাকান স্যালভেশন আর্মি (আরসা) একযোগে বোমা হামলা করার পর আরাকানের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ভয়াবহ অভিযান শুরু করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। সেই অভিযানের মুখে টিকতে না পেরে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা। বর্তমানে তারা কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার কুতুপালংয়ে আশ্রয়শিবিরে বসবাস করছে।

আশ্রিত রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময়ে তাদের নামের তালিকা পাঠানো হয়েছে মিয়ানমারের কাছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত মোট ৮ লাখ ২৮ হাজার ৮২৪ জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষের নাম নেইপিদোতে পাঠিয়েছে ঢাকা। তাদের মধ্যে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫৪৫ জনের তথ্য যাচাই করা হয়েছে এবং যাচাই শেষে ৩ লাখ ৮ হাজার ৭৯৭ জনকে রাখাইনের সাবেক বাসিন্দা হিসেবে শনাক্ত করেছে।

২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে রাখাইনে সশস্ত্র রাজনৈতিক গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘাত শুরু হয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর। বর্তমানে রাখাইনের রাজধানী সিতওয়ে এবং কিছু অঞ্চল ব্যাতিরেকে বাদবাকি পুরো রাখাইন নিয়ন্ত্রণ করছে আরাকান আর্মি। তাদের লক্ষ্য, রাখাইনকে একটি স্বায়ত্বশাসিত রাজ্যে পরিণত করা।

মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রোববারের বিবৃতি আরও বলা হয়েছে, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের পুরো ব্যাপারটি কঠোরভাবে মিয়ানমার এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বিষয়। আরও বলা হয়েছে, ২০১৮ এবং ২০১৯ সালে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে প্রস্তুতি নিয়েছিল বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের সরকার, কিন্তু সে সময় কোনো রোহিঙ্গা ফেরত আসেনি।

সূত্র : রয়টার্স

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )