মামলার অভিযোগ, শমী কায়সার একজন বাংলাদেশি অভিনেত্রী হয়েও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদে অবিশ্বাসী, রাজনৈতিক ব্যক্তির চরিত্র হননকারী, মুক্তিযুদ্ধের বিভেদ সৃষ্টিকারী। তিনি বিভিন্ন সময় সভা-সমাবেশে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করে বক্তব্য দিয়ে আসছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে নিয়েও কটূক্তি করেছেন।
আসামির কল্পনাপ্রসূত বক্তব্যের মাধ্যমে কমপক্ষে শতকোটি টাকার মানহানি হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী কাজী মিনহাজ উদ্দিন বলেন, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য ঝিনাইদহ পিবিআইয়ের কাছে পাঠিয়েছেন।