
দিনাজপুরের রাজবাড়ির তামলিপাড়া তুতবাগান এলাকায় ভুয়া মালিক সাজিয়ে সরকারি খাস জমি দখল সহ স্থাপনা নির্মানের অভিযোগ উঠেছে। গত ১৪ নভেম্বর জমিতে ঘরবাড়ি নির্মাণ শুরু করে দুর্বৃত্তরা। অভিযোগ আছে, তফশিলভূক্ত সম্পত্তি রাজবাড়ি জোড়া মন্দির শিবতলা পুকুরের সাবেক দাগ ৩৮২। এই পুকুরটির উত্তর পাড় দাগ ৯৫৫, দক্ষিণ পাড় দাগ ৩৮৩ ও ৩৮৪ এবং পশ্চিম পাড় দাগ ৩৮৫ এবং উক্ত ৩৮৫ দাগের দক্ষিণের ৩৫৫, ৩৫৬, ৩৫৭, ৩৫৮, ৩৫৯ দাগের মোট ৯৪ শতক খাস জমি গোপনে কেনাবেচার চেষ্টা করছেন দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, গৌতম, সাকিব, নাজমুলসহ বেশ কয়েকজন দুর্বৃত্ত কয়েকজনকে ভুয়া মালিক সাজিয়ে জমি বিক্রির পায়তারা করছেন। এছাড়াও ওই জমিতে নানান স্থাপনা তৈরি করছেন তারা। ওই জমি মালিক দাবি করা চন্দন দাস বলেন, জমি আমার পূর্বপুরুষদের ছিলো কিন্তু বর্তমানে সরকারি খাস জমি হিসেবে রেকর্ড হয়ে আছে। কেউ যদি জমিতে কিছু করতে না পারে সেজন্য ঘেরা দিচ্ছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জমি বিক্রির কোন সিন্ধান্ত নেইনি। আরেক জমি মালিক দাবি করা শিব কৃষ্ণ দাস বাবনুর স্ত্রী মঞ্জু সরকার বলেন, শ্বশুরের আমলের জমি ১০০ বছর থেকে আমাদের দখলে আছে। বর্তমানের সরকারি খাস জমি হিসেবে রয়েছে।
অভিযুক্ত সাকিব জানান, এই জমিগুলোতে ভূমিহীনদের স্থান করে দিচ্ছি আমরা। যাদের ভূমিহীন কার্ড রয়েছে।কিছু দুর্বৃত্ত এটাকে ঠেকানোর চেষ্টা করছে। অভিযুক্ত গৌতম ঘোষ বলেন, জমি এক হিন্দু লোকের কাগজের সমস্যা হবার কারণে কুচক্রী মহল দখল করতে চাচ্ছে। এজন্য আমি দায়িত্ব নিয়েছি যাতে প্রভাবশালীরা দখল করতে না পারে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে আনোয়ার হোসেন ওরফে রতন হুজুরকে একাধিকবার ফোন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তার নাম্বার বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়াটা সম্ভব হয় নি। দিনাজপুর সদর ভূমি উন্নয়ন কর্মকর্তা শামসুদ্দোহা বলেন, সরেজমিনে গিয়ে জমি দেখে এসেছি।এটা মাস খানেক আগের কথা।ওই জমি সরকারি খাস হিসেবে রেকর্ডে আছে।
দিনাজপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ফয়সাল রায়হান বলেন, আমি খাস জমি দখলের বিষয়টি অবগত আছি, এ বিষয়ে ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।
Related