1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
স্বাধীনতার পরে কৃষি সেক্টরে যে গবেষণা ও উন্নতি হয়েছে তা অভাবনীয় | দৈনিক সকালের বাণী
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ০১:২৪ পূর্বাহ্ন

স্বাধীনতার পরে কৃষি সেক্টরে যে গবেষণা ও উন্নতি হয়েছে তা অভাবনীয়

হাবিপ্রবি প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : শনিবার, ১৭ মে, ২০২৫
  • ১৫৩ জন দেখেছেন

স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশের কৃষি সেক্টরে যে গবেষণা ও উন্নতি হয়েছে তা অভাবনীয় বলে মন্তব্য করেছেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্যা। তিনি বলেন, গবেষণার ক্ষেত্রে যে গবেষণা সাস্টেইনেবল হবে তা সমাজ ও দেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। এক্ষেত্রে আমার স্বীকার করতে দ্বিধাবোধ নেই যে, বাংলাদেশে স্বাধীনতার পরে কৃষি সেক্টরে যে গবেষণা ও উন্নতি হয়েছে তা অভাবনীয় এবং এটা সারা পৃথিবীতে প্রশংসনীয়। তবে আমাদের আরও এগিয়ে যেতে হবে।

শনিবার (১৭ মে) হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এন্ড ট্রেনিংয়ের (আইআরটি) আয়োজনে ‘ইন্টারডিসিপ্লিনারি রিসার্চ অ্যান্ড সাস্টেইনেবল ইকোনমি’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এ মন্তব্য করেন তিনি। সকাল ১০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম-২ এ উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্যা, গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. খন্দকার মো. আশরাফুল মুনিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম সিকদার এবং ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর কবির। রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি স্কুলের শিক্ষক অধ্যাপক ড. শারমিন্দ নিলোৎপল।

নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. খন্দকার মো. আশরাফুল মুনিম বলেন, সব মিলিয়ে হাবিপ্রবির পরিসর বেশ বড়, এরকম একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবার আসতে পেরে আমি আনন্দিত। তিনি আরও বলেন, আমরা গবেষণার বিষয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আন্তঃযোগাযোগ বাড়াতে পারি। এ লক্ষ্যে আমাদের একসাথে কাজ করা উচিত। এতে আমরা হয়ত নতুন এবং যুগোপযোগী ধারণা শেয়ার করতে পারবো। যা দেশের জন্যই কল্যাণকর হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এনামউল্যা বলেন, বর্তমান যুগে ব্যক্তিগতভাবে আমরা অনেক গবেষণা করি এবং এক্ষেত্রে পৃথিবী অনেক এগিয়ে গেছে। কিন্তু এসব গবেষণার কালেক্টিভ রেজাল্ট আমরা খুব কমই দেখতে পারি। সময়ের প্রয়োজনে এই কালেক্টিভ রিসার্চটাকে সবার কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য আমাদের ইন্টারডিসিপ্লিনারি রিসার্চ খুবই দরকার। আমাদের দেশে অনেক রিসার্চ হয়, এর পেছনে আমরা অনেক সময় ব্যয় করি, কিন্তু এর অ্যাক্রেডিটেশনে আমরা যেতে পারিনা। দেখা যায় ৫/১০ বছর আগের রিসার্চের কথা আমরা ভুলে যাই, কেননা এর কোন অ্যাক্রেডিটেশন নেই, অর্থাৎ এটা সাস্টেইনেবল না। যে রিসার্চ সাস্টেইনেবল হবে সেটি নিজেকে ও সমাজকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এসময় এ ধরনের সময়োপযোগী একটি বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের জন্য তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )