


দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী বিরামপুর উপজেলায় পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানের প্রতি আস্থাবান হয়ে সাধারণ মানুষ মাদকের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে। পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও সীমান্তবর্তী ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ বাজার এলাকায় গড়ে উঠেছে মাদক প্রতিরোধ কমিটি। মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীদের বিতাড়নে চলছে জোরদার টহল।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ভারত সীমান্তবর্তী বিরামপুর উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক ভাবে মাদকের বিস্তার ঘটে। মাদক বিক্রেতাদের ঔদ্ধত্য ও মাদকসেবিদের বেপরোয়া আচরণে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে। বিষয়টি অনুধাবন করে বিরামপুর থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম সরকার ১ জুন থেকে মাদক বিরোধী সাঁড়াসি অভিযান শুরু করেন। গত ২২ দিনে থানা এলাকার বিভিন্ন মাদকের আখড়া ধংস, মাদক বিক্রতাদের আটক ও ধর পাকড় এবং মাদকসেবিদের আটক করার খবরে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও নির্ভরতা বেড়ে যায়।
এছাড়া ওসি সাইফুল ইসলাম সরকার সীমান্তের হাট বাজার ও বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে গিয়ে মানুষকে মাদকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে উৎসাহিত করেন। পুলিশের প্রতি আস্থাশীল হয়ে নারী-পুরুষ সম্মিলিত ভাবে মাদকসেবিদের বিতাড়িত করতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মাদকের ছোবল থেকে রক্ষার জন্য সংগঠিত হতে শুরু করেছে। ইতিবাচক এই পরির্তনে সামিল হতে এরই মধ্যে বিরামপুর পূর্বপাড়া, ১নং ওয়ার্ডের দেবীপুর ও সীমান্তবর্তী কাটলা ইউনিয়নের কাটলা বাজারে মাদক প্রতিরোধ কমিটি গঠিত হয়েছে। ঐ কমিটির সদস্যরা পুলিশকে সহায়তার পাশাপাশি নিয়মিত টহলের মাধ্যমে মাদক প্রতিরোধে সোচ্চার ভ’মিকা পালন করছে। একই ভাবে কেটরা বাজার, আয়ড়া মোড়, দেশমা বাজারসহ অন্যান্য এলাকার মানুষ মাদক প্রতিরোধে দৃঢ় অবস্থান নেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম সরকার বলেন, পুলিশের প্রতি আস্থা ফিরে পাওয়ায় সাধারণ মানুষ সম্মিলিত ভাবে পুলিশকে সহায়তা করছে এবং নিজেরাও প্রতিরোধে নেমেছে। মানুষের ইতিবাচক পরির্তনে আশার আলো ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশের অভিযান ও জনতার প্রতিরোধে মাদকের আগ্রাসন নির্মূল করা হবে।