1. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
  2. [email protected] : Sokaler Bani : Iqbal Sumon
  3. [email protected] : Md Hozrot Ali : Md Hozrot Ali
পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি বন্ধের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন | দৈনিক সকালের বাণী
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন

পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি বন্ধের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
  • আপলোডের সময় : বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫
  • ১৫৩ জন দেখেছেন

দিনাজপুরের পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি বন্ধের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ৭ দফা দাবিতে অযৌক্তিকভাবে কয়লার মূল্য কমিয়ে খনিকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করছে খনির শ্রমিক ও কর্মচারীরা।বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) সকাল ১১ টায় খনির আবাসিক গেটের সামনে শ্রমিক কর্মচারীরা মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে খনি সিবিএ সভাপতি কাশেম আলী সিকদার, আউটসোর্সিং অস্থায়ী কর্মচারী কল্যান পরিষদের সভাপতি আশরাফুল আলম বলেন, পিডিবি বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির একমাত্র কয়লার গ্রাহক। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি শুরু হতে লাভজনক প্রতিষ্ঠান। অতীতে খনির কয়লা বিদ্যুৎ উৎপাদন সহ স্থানীয় ইট ভাটার জন্য সরবরাহ করা হলেও বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদনেই ব্যবহার করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি যে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির পরিচালনা পষর্দ কয়লার একমাত্র ক্রেতা পিডিবির কর্মকর্তাগণের নিয়ন্ত্রনে পরিচালিত হচ্ছে। ফলে পিডিবির স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে অযৌক্তিক ভাবে প্রতি টন কয়লার মূল্য ১৭৬ ডলার হতে হ্রাস করে করে ১০৪ ডলার নির্ধারন করা হলে কয়লা খনিটি নিশ্চিতভাবেই লোকসানী প্রতিষ্ঠানে পরিনত হবে। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি বোর্ড এ বিদ্যুতের লোক দিয়ে চালানো যাবে না। ৭ দফা দাবি মেনে না নিলে আগামীতে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা করা হবে বলে হুশিয়ারি দেন। তাই বড়পুকুরিয়ার কয়লা লোকাল মার্কেটে বিক্রয় করা হোক। বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির বোর্ড বিদ্যুতের লোক দিয়ে চালানো যাবে না। খনি আমাদের রুটি-রুজি, তাই কয়লার দাম নির্ধারনে আমাদের ও মতামত নিতে হবে। নিশ্চয়তা দিতে হবে যে, বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিটি আদমজী পাট কলের মতো পরিনত হবে না। এলাকার স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসায় সিএসআর ফান্ড হতে সহযোগীতা বাড়াতে হবে। খনিতে কর্মরত শ্রমিকদের রেশন ও অন্যান্য সুবিধা বাড়াতে হবে। আর এসব দাবি দাওযা না মানা হলে বৃহত্তর আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্বের মতো করে খনিকে ধ্বংসের হাত হতে রক্ষা করা হবে। খনি বন্ধ হয়ে গেলে দুই হাজার ৫শ’ শ্রমিক কর্মচারী চাকুরী হারাবে। হুমকির মুখে পড়বে এই এলাকার লক্ষাধিক মানুষ। এসময় বক্তব্য রাখেন, কয়লা বণিক সমিতির সভাপতি রবিউল ইসলাম, কুলি লোড আনলোড সভাপতি মেহেরুল ইসলাম, ১৩ গ্রামের সভাপতি গোলাম মোস্তফা ও খনি শ্রমিক আসাদুল হক।
বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী মোঃ সাইফুল ইসলাম সরকার বলেন, স্থানীয় ও খনি কর্মচারীরা পিডিপিকে কম দামে কয়লা দেওয়ার কারনে তারা আন্দোলন করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক সকালের বাণী
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )