


কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে রাস্তায় চলাচল নিয়ে প্রতিবেশির মারপিটের ঘটনায় একজন নিহত হয়েছে। নিহত ব্যাক্তির নাম মোসলেম উদ্দিন (৩৫)। তিনি উপজেলার নেওয়াশি ইউনিয়নের নতুন গোবর্ধনের কুটি গ্রামের মৃত জাফর আলীর ছেলে।MZKvj রবিবার সকালে এ মারপিটের ঘটনাটি ঘটে। মারপিটে গুরুতর আহত অবস্থায় মোসলেম উদ্দিনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় বেলাল হোসেন নামের একজনকে আটক করেছে নাগেশ্বরী থানা পুলিশ।
স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, নিহত মোসলেম উদ্দিনের বাড়ীর সামনে থাকা রাস্তার সম্পূর্ণ জায়গাটি তার নিজস্ব জায়গা। উক্ত রাস্তার জায়গাটি পাশ্ববর্তী প্রতিবেশি শেখ ফরিদ মিয়া (৩৮) তার নিজের বলে দাবী করে এক শতাংশ জায়গা আরেক প্রতিবেশি মোজাম্মেল হকের নিকট বিক্রি করে দেন। এর পর হতেই প্রায় সময়ই রাস্তায় চলাচল করা নিয়ে মোসলেম উদ্দিনের পরিবারের সাথে ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকত।
রবিবার (২৪ আগষ্ট) সকাল ১১টার দিকে মোসলেম উদ্দিনের ভাতিজি খুশি আক্তার (১১) ওই রাস্তা দিয়ে বাড়িতে যাওয়ার সময় শেখ ফরিদের স্ত্রী বিলকিছ বেগম ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলে বাধা প্রদান করেন। এক পর্যায় খুশিকে মারধোর করতে থাকেন। খুশির চিৎকারে তার চাচা মোসলেম উদ্দিন তাকে বাচাতে গেলে প্রতিপক্ষ শেখ ফরিদের পরিবারের সবাই লাঠিসোটা, লোহার রড নিয়ে মোসলেমের উপর আক্রমন করে মারপিট করতে থাকে। এসময় মোসলেম উদ্দিনের পরিবারের লোকজন এগিয়ে আসেলে তাদেরও মারপিট করা হয়।
এসময় মোসলেম উদ্দিনসহ তার পরিবারের ৫ জন আহত হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় মোসলেমকে প্রথমে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকালে তার মৃত্যু হয়। আহত অন্য সদস্যরা কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় নাগেশ্বরী থানা পুলিশ শেখ ফরিদের ছেলে বেলাল হোসেনকে (১৮) বিকালেই আটক করে থানায় নিয়ে আসে। নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা জানান, এ ঘটনায় বেলাল নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। এজাহার পেয়েছি মামলার প্রস্তুতি চলছে।